খুলনার চিত্রালি সিনেমা হলে প্রিয়তমায় হাউজফুল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:১০, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

খুলনার চিত্রালি সিনেমা হলে প্রিয়তমায় হাউজফুল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ১৪, ২০২৩ ১:৪২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ১৪, ২০২৩ ১:৪২ পূর্বাহ্ণ

 

ফকির শহিদুল ইসলাম,খুলনাঃ
ঝিমিয়ে পড়া খুলনার ঐতিহ্যবাহী চিত্রালি সিনেমা হলে প্রাণ ফিরেছে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায়। মুক্তির প্রথম দিন থেকেই প্রতি শোতে দর্শকের ভিড় লেগেই আছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই) বিকেল ৫ টায় খুলনার খালিশপুরে অবস্থিত চিত্রালি ডিজিটাল প্রেক্ষাগৃহে সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিকেল ৫ টায় প্রেক্ষাগৃহের সামনে দর্শকের উপচে পড়া ভিড়। এর মধ্যে তরুণ-তরুণীর সংখ্যা বেশি। কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়িয়ে অনেকে টিকিট নিচ্ছেন। কেউ কেউ সিনেমা দেখতে আসার মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে সিনেমার পোস্টার সামেনে সেলফি তুলছেন। সেগুলো আবার সমাজমাধ্যমের পাতায় প্রকাশ করছেন। চেক-ইন দিচ্ছেন।

সিনেমা দেখতে আসা নারী দর্শক মিমি আকতার শান্তা জানালেন, সিনেমাটি তার কাছে খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে শেষ দৃশ্য বেদনাদায়ক ছিল। তার কথায়, ‘সিনেমার শেষ দৃশ্যটি অনেক কষ্টের। প্রচুর বেদনাদায়ক। এই প্রথম কোনো সিনেমা দেখে খুব কেঁদেছি।

নূর হোসেন জনি নামের আরেক দর্শক জানালেন, ছবিতে শাকিবের লুক দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘শাকিবের লুকটা দেখে সিনেমাটি দেখার জন্য আমার মনটা উতলা হয়ে গিয়েছিল। অবশেষে দেখেই ফেললাম অসাধারণ একটা সিনেমা। শাকিব খান সচরাচর যে ধরনের ছবিতে অভিনয় করেন, সেটা থেকে এই সিনেমা ব্যতিক্রম। সিনেমা দেখে অনেক ভালো লাগল। তার লুক এই সিনেমাতে অনেক পরিবর্তন হয়েছে।’

খুলনার পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকেই ‘প্রিয়তমা’ দেখতে আসছেন দর্শক। তাদের একজন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলা থেকে আসা মোঃ ইলিয়াস রায়হান। তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সিনেমাটি দেখতে এসেছি। অসাধারণ একটি ছবি। খুব ভালো লেগেছে। এ রকম সিনেমা নির্মিত হলে আবারও সিনেমা হলে পরিবার নিয়ে আসব।’

পাইকগাছা থেকে দল বেঁধে এসেছেন কলেজপড়ুয়া তুহিন বিশ্বাস ও তার সঙ্গীরা । তিনি বলেন, ‘চোখে পানি আসার মতো গল্প। আমার জীবনের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে। শাকিব খান তার প্রিয়তমাকে ভুলে না গেলেও বারবার ভুলে যাওয়ার যে অভিনয় করেছেন, সেটা অসাধারণ। অনেকের জীবনে এ ধরনের কাহিনি লুকিয়ে আছে যে, আমরা প্রিয়তমাকে রাগ করে ভুলে যেতে পারি, আসলে প্রিয়তমাকে ভোলা যায় না। আমার দেখা শাকিব খানের সেরা সিনেমা এটি।

এদিকে দর্শকের এমন সাড়ায় উচ্ছ্বসিত চিত্রালি সিনেমা হলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপু খান। তিনি বলেন, দেশে বাংলা সিনেমার যে দুর্দিন চলছিল, তার মধ্যে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমাটাকে ব্যবসা সফল বলতেই হয়। ‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’ সিনেমার পর এটিই ব্যবসা সফল সিনেমা। প্রতি শোতে ভালোই দর্শক হচ্ছে। আমারা দর্শকদের টিকিট দিয়ে পারছি না। প্রেক্ষাগৃহের সামনে সেই ঈদের দিন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত প্রচন্ড ভিড় আমরা খুবই খুশি।

তিনি জানান, ৭০০ আসনের হলটি একটি সিটও খালি যাচ্ছে না। দুই সপ্তাহ চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও সিনেমাটি এক মাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দর্শক চাইলে আরও সময় বাড়ানো হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ