গণঅনশন থেকে যে বার্তা দিলেন বিএনপি নেতারা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৫১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গণঅনশন থেকে যে বার্তা দিলেন বিএনপি নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৩ ১০:২১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৩ ১০:২১ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করেছে দলটি। শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। রাজপথে আঘাত আসলে প্রতিরোধ করার জন্য নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকতে বলেন দলের শীর্ষনেতারা।

বিএনপির গণঅনশন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য এমন কোনো কাজ নেই যে আমরা করি নাই। আবেদন করেছি, সমাবেশ করেছি, আন্দোলন করেছি। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে হত্যা করার জন্য। তাকে ভুয়া মামলায় আটক করা হয়েছে। একই মামলায় আ স ম রব, মায়া চৌধুরী, হাজী সেলিমসহ সবাইকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে। সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখনও সময় আছে বেগম খালেদা জিয়াকে সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠান। যদি উনাকে বিদেশে পাঠান তাহলে তাকে যে স্লো পয়জনিং করা হয়েছে তার জন্য হয়ত মাফ করে দেওয়া হবে। যদি না পাঠান তাহলে এই স্লো পয়জনিংয়ের জন্য নতুন প্রজন্ম আপনাদের ক্ষমা করবে না।

বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে (সিইসি) সাবেক নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদা ও কাজী রকিব উদ্দীনের বংশধর উল্লেখ করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আপনি কথা কম বলেন। আপনি নির্বাচন করতে পারবেন না। আপনার সেই সাহস নেই। আপনিও শেখ হাসিনার প্রেসক্রিপশনে কাজ করে যাবেন। শেখ হাসিনা কখনও খালেদা জিয়াকে চিকিৎসা করতে দিবে না। তাকে আটক করা হয়েছে হত্যা করার জন্য।

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, দেশকে মুক্ত করার জন্য আপনারা লাঠিসোটা নিয়ে রেডি থাকুন। আমরা কাউকে ভয় পাই না। রাজপথে যদি আঘাত আসে আর তা প্রতিরোধ না করতে পারলেই দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে। আজকে সাক্ষী নেই, মামলার মেরিট নেই সেসব মামলায় সাজা দেওয়া হচ্ছে। বিচারের নামে অবিচার হচ্ছে। আমরা আপোষহীন নেত্রীর আপোষহীন কর্মী, লড়াই করে দেশনেত্রীকে মুক্ত করবো।

ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, আমরা স্বৈরাচারী সরকারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছি। তিনবারের প্রধানমন্ত্রীকে আটক করে রেখেছে সেটা হতে পারে না। এরা দেশে বাকশালী শাসন কায়েম করেছে। এর বিরুদ্ধে আজ সবাই এক হয়েছে। এ অবস্থা দেশের মানুষ মেনে নিতে পারে না। এরা গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে। এরা যে লুট ও দুর্নীতি করেছে তা শুধু দেশের মানুষ নয়, সারা পৃথিবীর মানুষ জেনে গেছে।

দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, একজন মানুষ অসুস্থ হলে তার সুচিকিৎসার অধিকার রয়েছে। কিন্তু দেশনেত্রীকে এ অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। এবারের লড়াই বেঁচে থাকার লড়াই, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লড়াই। সেলিমা রহমান বলেন, সারাদেশ আজ ঐক্যবদ্ধ। এ সরকারের বিদায় করার জন্য দেশবাসী প্রস্তুত। এখন প্রয়োজন শুধু নির্দেশ। নির্দেশ পাওয়ার সাথে সাথে এ দেশে এমন আন্দোলন শুরু হবে যাতে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের মসনদ ভেঙে তছনছ হয়ে যাবে।

এলডিপির চেয়ারম্যান কর্ণেল (অব.) অলি আহমেদ বলেন, আজকে তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, স্বাধীনতার ঘোষকের স্ত্রীর জন্য কেন সুচিকিৎসার ভিক্ষা চাওয়া হচ্ছে। আজকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক রাখা হচ্ছে। কারণ, বেগম জিয়া বাইরে থাকলে এ সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আজকে ৮৫ বছর বয়সেও গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে যাচ্ছি। আজ তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে দেশকে রক্ষা করার জন্য।

সভাপতি বক্তব্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতায় থাকলে খালেদা জিয়াকে বাঁচানো যাবে না, দেশ বাঁচানো যাবে না। দেশকে বাঁচাতে হলে এ সরকারকে বিদায় করতে হবে।

৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস উপলক্ষে লন্ডনে বিএনপির বিক্ষোভ
প্রকাশিত: শনিবার ০৭ জানুয়ারি ২০১৭ | প্রিন্ট সংস্করণ

গত বৃহস্পতিবার বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করে যুক্তরাজ্য বিএনপি
মুহাম্মদ নূরে আলম (বরষণ) লন্ডন থেকে: ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ আখ্যায়িত করে গত বৃহস্পতিবার বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি দিয়ে ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে যুক্তরাজ্য বিএনপি। দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলা এ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীর শ্লোগানে এলাকা প্রকম্পিত হয়ে উঠে। এসময় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন প্রদর্শন করে ভোট চুরির প্রতিবাদ জানায়। যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমদের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে ব্রিটেনের বিভিন্ন জোনের নেতৃবৃন্দসহ, যুক্তরাজ্য যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, আইনজীবী ফোরাম, জাসাস ও মহিলা দলের শত শত নেতাকর্মীরা অংশ নেয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের জনগণ সরকারের অত্যাচার নির্যাতনের কারণে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পালন করতে পারছে না, তাই আমরা প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ৫ জানুয়ারির অবৈধ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৫৪ আসনে নিজেদের বিজয় দেখিয়ে গণতন্ত্রের কবর রচনা করে দেশে বাকশাল কায়েম করা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে সকল দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি শক্তিশালী নিরেপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের জোর দাবি জানান।
যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি এম এ মালিকের তার বক্তব্যে বলেন, বর্তমান সরকার যতোদিন অবৈধ ক্ষমতা আঁকড়ে থাকবে ততোদিন আমরা তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলবো। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা ওদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য যেসব বাহিনী রয়েছে তাদেরকে বিরোধী দল ও মতের নেতাকর্মীদের দমনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষের ভোটেরঅধিকার কেড়ে নিয়ে ক্ষমতা দখল করে প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন শেখ হাসিনা। তাই গণতন্ত্রের পাদপীঠ ব্রিটেনে তার বিরুদ্ধে আমরা বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছি।
বক্তারা বলেন, আমাদের আন্দোলন সংগ্রাম চলছে চলবে, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে না আসা পর্যন্ত। বর্তমান অবৈধ সরকার ক্ষমতাকে দীর্ঘ করতে বিএনপি জামায়াতের নেতা কর্মীদের উপরে গুম খুন নির্যাতন চালাচ্ছে।
বিএনপির নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাজ্য বিএনপির প্রধান উপদেস্টা শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিব, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি এম লুৎফর রহমান, শেখ শাসুদ্দিন শামিম, মোঃ গোলাম রাব্বানি, প্রফেসর এম ফরিদ উদ্দিন, গোলাম রাব্বানী সোহেল, উপদেষ্টা তইমুছ আলী, উপদেষ্টা আব্দুল আজিজ ,সলিসিটর ইকরামুল হক মজুমদার, মানবাধিকার সংগঠক ফরিদুল ইসলাম, এস এম মাহবুব, এস কে তরিকুল ইসলাম, হাসিবুল হাসান, নাসের খান অপু উকিল, সালেহ আহমেদ জিলান, সাংবাদিক মুহম্মদ নূরে আলম, সাংবাদিক মাহবুব আলী খানশূর,
যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক সহিদুল ইসলাম মামুন, কামাল উদ্দিন, শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন,নাসিম আহমেদ চৌধুরি, সাদিক মিয়া, মেসবাউজ্জামান সোহেল, সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ,যুক্তরাজ্য যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান মকাদ্দেম চৌধুরী নিয়াজ, খসরুজ্জামান খসরু, কে আর জসিম, কোষাধক্ষ্য আব্দুস সাত্তার, দপ্তর সম্পাদক নাজমুল হাসান জাহিদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হামিদ খান হেভেন, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক তাজবির চৌধুরী শিমুল, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের শেখ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আখতার মাহমুদ, সহ-দফতর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট লিয়াকত আলী, সহ-যুব বিষয়ক সম্পাদক খিজির আহমেদ, সহ ক্রীড়া সম্পাদক সরফরাজ আহমদে সরফু, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জাহিদ হাসান গাজি প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ