গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের সময়ে শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতেছে: মির্জা ফখরুল
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ৩:৫২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ৩:৫৩ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের সময়ে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিনষ্টে দেশে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “বাংলাদেশ যখন একটি নতুন অধ্যায়ের দিকে এগোচ্ছে। নতুন স্বপ্ন দেখছে, নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের। সেই সময়ে বাংলাদেশের শত্রুরা হত্যাকাণ্ডে মেতে উঠেছে। গতকাল-গতপরশু হত্যাকাণ্ড হয়েছে, আমরা তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। আমরা আশঙ্কা করছি এইরকম আরও ঘটনা ঘটতে পারে।”
রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধে দলের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধানিবেদন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, “১৯৭১ সালের এই দিনে দখলদার পাক-হানাদার বাহিনীর পরাজয় আসন্ন হয়ে উঠেছে। চতুর্দিক থেকে মুক্তিবাহিনী যখন ঢাকা ঘিরে ফেলেছে, সেই সময়ে পাক হানাদার বাহিনী তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী এই দেশের সকল বুদ্ধিবৃত্তিকভিত্তি বিনষ্ট করে দেওয়ার জন্য এই দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তানদের তুলে নিয়ে যায়। পাক হানাদার বাহিনী তাদের দোসরদের সঙ্গে জোগসাজশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক অনেককে হত্যা করেছে। এইদিনে আমরা আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি।”
তিনি বলেন, “এটা একটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মেধাহীন করে দেওয়ার জন্য এই হত্যাকাণ্ড। একইভাবে দূর্ভাগ্যক্রমে ২০২৪ সালে আমাদের সন্তানদের হত্যা করা হয়েছে।”
এর আগে, শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের মূল বেদীতে পুষ্পঞ্জলি দিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের শ্রদ্ধা জানানো হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব আমানুল্লাহ আমান, মহানগর উত্তরের সদস্য সচিব আমিনুল হক প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ