গণমিছিলে ব্যাপক জমায়েতের মধ্য দিয়ে ফের শক্তি দেখাল বিএনপি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৫৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গণমিছিলে ব্যাপক জমায়েতের মধ্য দিয়ে ফের শক্তি দেখাল বিএনপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০২২ ৩:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ৩১, ২০২২ ৩:৩৭ অপরাহ্ণ

 

অবিলম্বে সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয়-নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ ১০ দফা দাবিতে রাজধানীতে গণমিছিল করেছে বিএনপি। যুগপৎ আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা গণমিছিল করে বিএনপি এবং সমমনা দল ও জোটের নেতারা। এই গণমিছিলে ব্যাপক জমায়েতের মধ্য দিয়ে ফের শক্তি দেখাল বিএনপি।

এ ছাড়া রংপুরেও গণমিছিল করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। বিকেল ৩টায় গণমিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। বিকেল সাড়ে ৩টায় গণমিছিলটি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়।

গণমিছিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চে দাঁড়িয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, কোনো স্বৈরাচার বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারেনি। এরশাদ পারেনি, আইয়ুব খান পারেনি, এ সরকারও পারবে না।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এসে দেখে যান বিএনপির সঙ্গে জনগণ আছে কি নেই? আজকে পাড়া-মহল্লায় পাহারা দিয়েও জনগণকে ঘরে আটকে রাখতে পারা যায়নি। আমরা আমাদের দফা আদায়ে আরও শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করব। আমরা গণতান্ত্রিকভাবে এসব কর্মসূচি পালন করব।

বর্তমান সরকারকে স্বৈরাচারী আখ্যা দিয়ে মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘সরকারকে বিদায় করতে হলে রাজপথে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’ এ সময় যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে আগামী ১১ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত বিএনপির ১০টি বিভাগীয় শহরে গণঅবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। খন্দকার মোশাররফের বক্তব্য শেষ হওয়ার পরই ১৩টি স্পটে জমায়েত হয়ে বিএনপির গণমিছিল শুরু হয়। ওলামা দলের কাজী রফিকুল ইসলামের কোরআন তিলাওয়াত ও মুনাজাতের মাধ্যমে গণমিছিল-পূর্ব সমাবেশের কার্যক্রম শুরু হয় বিকেল পৌনে ৩টায়।

নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের ঢল

মিছিলটি বিকেল সাড়ে ৩টায় যখন শুরু হয়, তখন মিছিলের সম্মুখভাগ পৌঁছে যায় শান্তিনগর মোড় পর্যন্ত। অসংখ্য লোকসমাগম হওয়ায় মিছিলটি ধীরগতিতে কাকরাইল মোড়, শান্তিনগর, মালিবাগ, মৌচাক হয়ে মগবাজার গিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় পৌঁছায় মিছিলের প্রথম অংশ। যখন মগবাজার মোড়ে গণমিছিলের প্রথম অংশ পৌঁছায়, তখন মিছিলের শেষ অংশ ছিল মতিঝিলের নটর ডেম কলেজ পর্যন্ত। ভিড়ের কারণে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের বহনকারী ট্রাকটিও আধা ঘণ্টা আটকা পড়ে। সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটে মগবাজার গিয়ে শেষ হয় গণমিছিল। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সমাপনী বক্তব্য দেন।

এদিকে ফকিরাপুল থেকে কাকরাইল মোড় পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশেই অবস্থান নেন বিএনপি ও এর অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের হাজারো নেতাকর্মী। নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল যাওয়ার রাস্তা এবং ফকিরাপুল থেকে নাইটিঙ্গেল চলাচলের সড়ক বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা বাস্তবায়ন এবং দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ সব নেতার মুক্তির দাবিতে নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন। তাদের গগণবিদারী স্লোগানে প্রকম্পিত হয় চারপাশ।

গতকাল জুমার দিন হওয়ায় সকাল ১০টা থেকেই ব্যানার, ফেস্টুন, জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা হাতে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা গণমিছিলস্থলের নির্ধারিত স্থানে জড়ো হতে থাকেন। গণমিছিল ঘিরে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আশপাশে কঠোর অবস্থানে ছিলেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। কার্যালয়ের আশপাশে সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করেন তারা।

গণমিছিলে অংশ নেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আমান উল্লাহ আমান ও আমিনুল হক, দক্ষিণ বিএনপির নবীউল্লাহ নবী ও রফিকুল আলম মজনু। এ ছাড়া কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, মোহাম্মদ শাহজাহান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আহমেদ আযম খান, জয়নুল আবদীন ফারুক, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, হাবিব-উন- নবী খান সোহেল, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, মীর সরফত আলী সপু, শামা ওবায়েদ, ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, বেনজীর আহমেদ টিটো, তাইফুল ইসলাম টিপু, কাজী আবুল বাশার, নাজিম উদ্দিন আলম, আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রকিবুল ইসলাম বকুল, তাবিথ আউয়াল, পেশাজীবী পরিষদের অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক কাদের গণি চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ড. শামসুল আলম সেলিম, প্রকৌশলী মাহবুব আলম, অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম, ডা. জাহেদুল কবির জাহিদ, ইউট্যাবের অধ্যাপক ড. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. খায়রুল ইসলাম রুবেল, খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম শিমুল, কৃষিবিদ দিদারুল আলম, কেএম সানোয়ার আলম, প্রকৌশলী রিয়াজুল ইসলাম রিজু, প্রকৌশলী মো. আইয়ুব হোসেন, প্রকৌশলী মেহেদী হাসান সোহাগ, যুব জাগপার আমির হোসেন আমু, মুক্তিযোদ্ধা দলের ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ, ঢাকা জেলা বিএনপির ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন, অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী, ছাত্রদলের কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ, যুবদলের মামুন হাসান, মোনায়েম মুন্না, স্বেচ্ছাসেবক দলের এসএম জিলানী ও রাজীব আহসান, সাইফুল ইসলাম ফিরোজ, নাজমুল হাসান, কৃষক দলের হাসান জাফির তুহিন, শহীদুল ইসলাম বাবুল, মৎস্যজীবী দলের মো. আব্দুর রহিম, কামাল উদ্দিন চৌধুরী টিটু, ওমর ফারুক পাটোয়ারী, শ্রমিক দলের আনোয়ার হোসাইন, কাজী মো. আমীর খসরু, মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জু, মহিলা দলের হেলেন জেরিন খান, ড্যাবের অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশিদ, ডা. মো. মেহেদী হাসান, ডা. মো. ফখরুজ্জামানসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী।

১১ জানুয়ারি গণঅবস্থান কর্মসূচি

আগামী ১১ জানুয়ারি ১০ সাংগঠনিক বিভাগে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা গণঅবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। ওইদিন নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর বিএনপির কর্মসূচি পালন করা হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ইতিপূর্বে আমরা ১০টি বিভাগীয় গণসমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে সফল করেছি। আজকের গণমিছিলও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে। আমরা জনগণের পক্ষে ১০ দফা ঘোষণা করেছি। তারই প্রথম কর্মসূচি হলো গণমিছিল। আজকে এসব দফার প্রতি দেশের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং জোট সমর্থন জানিয়েছে। আমাদের ১০ দফার মূল হলো—অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। নির্দলীয়- নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির গণসমাবেশ থেকে জনগণ অংশ নিয়ে আওয়াজ তুলেছে—অবিলম্বে এ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে। তাদের আর জনগণ ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তারা স্বৈরাচার ও বিশ্বে হাইব্রিড সরকার নামে পরিচিত।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, প্রিয় ঢাকাবাসী যারা সব বাধা উপেক্ষা করে গণমিছিলে উপস্থিত হয়েছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ গ্রেপ্তারকৃত সব রাজবন্দি ও নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।

পান্থপথে এলডিপির মিছিল

বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যুগপৎ আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাজধানীতে গণমিছিল করেছে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। গতকাল বিকেলে রাজধানীর পূর্ব পান্থপথ (এলডিপি কার্যালয়) থেকে শুরু হয়ে মালিবাগ মোড়ে গিয়ে ফের মগবাজারে গিয়ে মিছিলের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। মিছিল-পূর্ব সমাবেশে এলডিপির প্রেসিডেন্ট কর্নেল (অব.) অলি আহমদ আগামী ১১ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সারা দেশে গণঅবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন। গণমিছিলে ব্যানার- ফেস্টুন নিয়ে এলডিপির কয়েক সহস্রাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় দলটির নেতা মো. নূরুল আমিন, ড. নেয়ামুল বশির, ড. আওরঙ্গজেব বেলাল, মাহবুব মুর্শেদ, সাকলাইন, মাহবুব রহমান, কারিমা খাতুন, বেলাল হোসেন মিয়াজীসহ কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য দেন।

বিজয়নগরে ১২ দলের গণমিছিল

যুগপৎ আন্দোলনের প্রথম কর্মসূচিতে গণমিছিল করেছে ১২ দলীয় জোট। চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন জোটের নেতারা। গতকাল রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্কের সামনের সড়কে গণমিছিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জোটের নেতারা এ ঘোষণা দেন।

এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে বিজয়নগর এলাকায় জড়ো হতে থাকেন জোটের নেতাকর্মীরা। পরে একটি গণমিছিল বিজয়নগর পানির ট্যাঙ্কের সামনে থেকে শুরু করে পুরানা পল্টন মোড় ঘুরে নাইটিঙ্গেল মোড়ে গিয়ে শেষ করেন।

তার আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জাতীয় পার্টির (জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার বলেন, দেশের রাজনীতির ইতিহাসে আজ নতুন পর্বের সূচনা হয়েছে। যুগপৎ আন্দোলন এ দেশে নতুন পরিস্থিতির জন্ম দেবে। চূড়ান্ত বিজয় না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে। আগামী ১১ জানুয়ারি সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। বিএনপি ঘোষিত ১০ দফা দাবি আদায়ে এ কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ সময় কল্যাণ পার্টির সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ এলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, মুসলিম লীগের জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী, এনডিপির কারি আবু তাহের, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের আবদুল করিম, জাগপার রাশেদ প্রধান, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।

প্রেসক্লাব থেকে মতিঝিলে ১১ দলের গণমিছিল

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত গণমিছিল করেছে ১১ দলের সমন্বয়ে নতুন জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট। মিছিলটি পুরানা পল্টন মোড়ে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এ সময় জোটের সমন্বয়ক ও এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার লুৎফর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. নূরুল আমিন বেপারী, ন্যাপ ভাসানীর অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, গণদলের গোলাম মাওলা, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ মাইনরিটি পার্টির সুকৃতি মণ্ডল প্রমুখ বক্তব্য দেন। আগামী ১১ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে বলে ঘোষণা দেন ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ। গণমিছিলে ১১ দলের কয়েকশ নেতাকর্মী ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

গণমিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন—এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ডেমোক্রেটিক লীগের মো. আকবর হোসেন, পিপলস লীগের অ্যাডভোকেট গরিবে নেওয়াজ ও সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ইসলামী ঐক্যজোট, বিকল্পধারা বাংলাদেশের অ্যাডভোকেট শাহ আহমেদ বাদল, জাগপার ডা. আওলাদ হোসেন শিল্পী, যুব জাগপার মীর আমির হোসেন আমু প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ