গাইবান্ধা-৩: লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াতের - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১০:৫৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গাইবান্ধা-৩: লড়াই হবে বিএনপি-জামায়াতের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ৫:৩২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ ৫:৩২ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত গাইবান্ধা-৩ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই আসনে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার এখন তুঙ্গে। বিএনপি ও জামায়াত থেকে এখানে অভিজ্ঞ প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও এনসিপির মুখ নতুন। সাধারণ ভোটারদের কাছেও তার তেমন পরিচিতি নেই। অন্যদিকে মাঠে নেই জাতীয় পার্টি (জাপা)। তাই এই আসনে লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে জাতীয় পার্টি ছয়বার, আওয়ামী লীগ চারবার ও বিএনপির প্রার্থী দুইবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

এই আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশিষ্ট চিকিৎসক মইনুল হাসান সাদিককে দলীয় প্রার্থী করা হয়েছে। অন্যদিকে জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে (লেবু মাওলানা) দলীয় প্রার্থী করেছে জামায়াত। এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) ও গাইবান্ধা জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নাজমুল হাসান সোহাগকে দলটি থেকে একক প্রার্থী করা হয়েছে।

এ ছাড়া এ আসনে প্রচার চালাচ্ছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা মোহাম্মদ আওলাদ হোসাইন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা শাহ আলম ফয়জী, গণঅধিকার পরিষদের মো. সুরুজ্জামান, সিপিবির আবদুল্যাহ আদিল ও বাসদের (মার্কসবাদী) কলেজশিক্ষক কাজী আবু রাহেন শফিউল্যাহ।

ভোটের মাঠের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এনসিপির প্রার্থী নাজমুল হাসান বলেছেন, ‘মানুষ পরিবর্তন চায়। তাই ছাত্র-জনতার নতুন দল নিয়ে মানুষের মধ্যে আগ্রহের সৃষ্টি হচ্ছে। বেশ সাড়া পাচ্ছি। নতুন বাংলাদেশের যে চিন্তা-চেতনা ও দৃঢ় ইচ্ছা সেটা অবশ্যই তারা আগামী নির্বাচনে প্রস্ফুটিত করবে। যেভাবে চব্বিশে আমাদেরকে মানুষ গ্রহণ করেছে সেভাবে আগামী নির্বাচনেও গ্রহণ করবে।’

জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিক বলেন, ‘চিকিৎসক হওয়ার সুবাদে দুই উপজেলায় আমার জনপ্রিয়তা রয়েছে। এ ছাড়া দলীয় নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে আমার পক্ষে কাজ করছেন। বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী।’

জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম বলেন, ‘শুরু থেকেই জামায়াত শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে মাঠে রয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান থাকায় মানুষের মাঝে আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে প্রচারের মাঠে রয়েছি। ব্যাপক সারা পাচ্ছি।’

৫ আগস্টের পর থেকে জেলায় জাতীয় পার্টির রাজনীতি প্রায় নিষ্ক্রিয়। মাঠে তাদের কোনো সক্রিয় কর্মী-সমর্থক নেই। তারা কেন্দ্রীয় নেতাদের দিকে তাকিয়ে আছেন। তবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা নির্বাচনি প্রচারে কৌশলে অবলম্বন করেছেন। এই আসনে তাদের ভোটব্যাংক রয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ