গাইবান্ধা-৪: বিএনপিতে বিদ্রোহ, সুযোগ কাজে লাগাতে চায় জামায়াত - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৬:৫৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গাইবান্ধা-৪: বিএনপিতে বিদ্রোহ, সুযোগ কাজে লাগাতে চায় জামায়াত

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ ৪:১৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০২৫ ৪:১৪ অপরাহ্ণ

 

গাইবান্ধা প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি
গাইবান্ধা-৪ আসনে নির্বাচনি উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা তাদের প্রার্থীর পক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশি সরব হয়েছেন। এই আসনে বিএনপি ও জামায়াতের পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো তাদের প্রার্থী দেয়নি। গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে মাঠে সক্রিয় না থাকলেও ভেতরে ভেতরে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে জাতীয় পার্টি (জাপা)। তবে প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বিএনপির মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল দেখা দিয়েছে। নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বঞ্চিতরা প্রার্থী পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছেন। দলটির এই কোন্দলকে কাজে লাগিয়ে ভোটের মাঠে সুবিধা আদায়ে কৌশলী অবস্থান নিয়েছে জামায়াত। স্থানীয়রা বলছেন, প্রচারের দিক দিয়ে তারা আসনটিতে অন্য দলের তুলনায় এগিয়ে আছে।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ১৯৭৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ চারবার, জাপা তিনবার, বিএনপি তিনবার ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দুইবার জয় পায়।

এই আসনে বিএনপির জনপ্রিয় নেতা প্রয়াত সংসদ সদস্য আবদুল মোত্তালিব আকন্দের ছেলে শামীম কাওছার লিংকনকে বিএনপি প্রার্থী ঘোষণা করা করেছে। তিনি উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। বাবার মৃত্যুর পর তিনি উপ-নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

শামীম কাওছার লিংকন বলেন, ‘বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই আসনে কাজ করছে। যারা মিছিল করছেন, তারা দলের কোনো পদে নেই। একটি মহল তাদের উসকে দিচ্ছে। তারা ভুল বুঝে এমনটি করছে। ভোটের আগমুহূর্তে এটি থাকবে না। অল্প সময়ের মধ্যে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলের নির্দেশ মেনে কাজ করবে। প্রতিদিন আমরা মানুষের কাছে যাচ্ছি। ব্যাপক সাড়া মিলছে। আগামী নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’

এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী দলটির জেলা শাখার সাবেক আমির, কেন্দ্রীয় মজলিসের সুরা সদস্য, বিশিষ্ট চিকিৎসক মো. আবদুর রহিম। চিকিৎসক হওয়ার সুবাদে এলাকায় তার বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘দুই বছর আগে জামায়াতের পক্ষ থেকে আমাকে একক প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে জনসংযোগ করে আসছি। সব প্রস্তুতি নিয়েছি। তফসিল ঘোষণার পর আমরা নমিনেশন কিনেছি। ২০০৮ সালে চার দলের পক্ষ থেকে নির্বাচন করেছি। ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। মাঠে মানুষের সঙ্গে আগেও ছিলাম, ভবিষ্যতেও থাকব। এ উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়ন করেছি। ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে আছে। আগামী দিনে জনগণের সমর্থন পাব বলে আশা করছি।’

এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ তৌহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা সাইফুল ইসলাম এখনো প্রচার চালাচ্ছেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ