চাঁদাবাজ বলায় জায়েদ খানকে জবাব দিলেন নিপুণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ৭:৩৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ২৯, ২০২৩ ৭:৩৫ অপরাহ্ণ

বলিউডের সিনেমা বাংলাদেশে মুক্তির বিষয়ে সম্মতি জানিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার যে আর্থিক শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন, সে জন্য নায়িকাকে চাঁদাবাজ তকমা দিয়েছিলেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। আমদানিতে হিন্দি ছবির অবাধ বিচরণ হলে দেশের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি ধ্বংস হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কা করছেন অনেকেই। তবে এমনটি ঘটবে না বলে দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিপুণ আক্তার। তিনি বলেন, আমাদের সিদ্ধান্তে চলচ্চিত্র ধ্বংস হবে না, বরং লাভবান হবে।
এদিকে, নিপুণ দাবি করেছেন আমদানি ছবির লভ্যাংশের ১০ শতাংশ দিতে হবে শিল্পী সমিতিকে। এটিকে কেউ কেউ চাঁদাবাজি উল্লেখ করেছেন।
নিপুণ বলেন, এই টাকা যদি আমার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে নিতাম তাহলে সেটা চাঁদাবাজি বলা যেত। টাকা থাকবে শিল্পী সমিতির ফান্ডে। আমি শিল্পী সমিতি থেকে কিছু নিতে আসিনি। এসেছি কিছু দিতে। ইতোমধ্যে শিল্পীরা একটি ইফতার মাহফিল ও পিকনিকের মাধ্যমে সেই প্রমাণ পেয়েছে।
আমদানিতে হিন্দি ছবি মুক্তি্র ব্যাপারে গেল সপ্তাহে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, প্রদর্শক সমিতি সিনেমা হল বাঁচাতে মাসে একটি করে হিন্দি সিনেমা চায়। শিল্পী সমিতিসহ এফডিসির সকল সমিতি যদি চায় তবে এতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
তথ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পরে শিল্পী সমিতি বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে শিল্পী সমিতির ইলিয়াস কাঞ্চন, নিপুণ, রিয়াজ, ফেরদৌস, ইমন, সাইমণরা মিটিং করেন। সেখানে ছিলেন চলচ্চিত্র পরিবারের প্রধান চিত্রনায়ক আলমগীর। মিটিংয়ে হিন্দি ছবি মুক্তিতে অনাপত্তি জানায় শিল্পী সমিতির নেতারা। তবে তারা কিছু শর্তের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে নির্দিষ্ট সংখ্যক হিন্দি ছবি আমদানির পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন।
শর্ত প্রসঙ্গে নিপুণ বলেন, এখনই প্রকাশ করছি না। আমরা আলোচনার ভিত্তিতে সকলের মতামত নিয়ে এই শর্তগুলো দেব। এতে করে ইন্ডাস্ট্রি আগাবে। সিনেমা হলগুলো টিকে থাকবে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হিন্দি সিনেমা দিয়ে ব্যবসা করা নয়, সিনেমা হল টিকিয়ে রাখাই মূল উদ্দেশ্য। সিনেমা হল বাঁচলে প্রযোজকরা আরও বেশী ছবি বানাতে পারবেন। এতে করে লগ্নী উঠে আসার সম্ভাবনা থাকবে। নইলে ৬০টির মত হল চালু আছে তাও বন্ধ হয়ে যাবে।
জনতার আওয়াজ/আ আ