ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৬:২৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, মে ৩, ২০২৩ ৪:০৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, মে ৩, ২০২৩ ৪:০৭ অপরাহ্ণ

 

বিএনপি নেতা নাসির উদ্দিন পিন্টুর ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০১৫ সালের এই দিন দুপুরে তাঁকে কারাবন্দি অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, হাসপাতাল তাঁকে মৃত অবস্থায় পেয়েছেন।
পিন্টুর পরিবার এ মৃত্যুকে ‘পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড’ বলছে।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য। সর্বশেষ তিনি ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।
সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, মে ৩, ২০১৫, দুপুর ১২টার কিছু আগে নাসির উদ্দিন পিন্টু বুকে ব্যথা অনুভব করেন। কারাগারের চিকিৎসক এস এম সায়েম তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠাতে বলেন। দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে যখন অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হচ্ছিল, তখন তাঁর জ্ঞান ছিল না। হাসপাতালে নেওয়ার পরে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, আজ দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে পিন্টুকে হাসপাতালে আনা হয়। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত অবস্থায় পেয়েছেন। তার পরও জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কার্ডিওলজি বিভাগে নিয়ে ইসিজি করে মৃত্যু নিশ্চিত হন।
হাসপাতালের হৃদ্‌রোগ বিভাগের প্রধান রইস উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, পিন্টুর চিকিৎসার ব্যাপারে কারা প্রশাসন থেকে হাসপাতালের পরিচালককে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এতে বলা হয়, নিরাপত্তার কারণে পিন্টুকে কারাগারে রেখেই যেন চিকিৎসক দেওয়া হয়। সেই চিঠি পেয়ে শনিবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটের দিকে তিনি কারাগারে যান। কিন্তু জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক তাঁকে ভেতরে যাওয়ার অনুমতি দেননি। পিন্টুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরবর্তী দিন ছিল ১১ মে। তারিখটা অনেক দেরি হওয়ায় তিনি ওই দিনই পিন্টুকে দেখতে চান। ফিরে এসে বিষয়টি তিনি হাসপাতালের পরিচালককে জানিয়েছেন।
চিঠি দিয়ে চিকিৎসক চাওয়ার পর কেন চিকিৎসককে ফিরিয়ে দিলেন, জানতে চাইলে জ্যেষ্ঠ কারা তত্ত্বাবধায়ক শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কারা প্রশাসন থেকে ২৩ এপ্রিল একটি চিঠি দিয়ে ২৫ এপ্রিল একজন চিকিৎসকে কারাগারে আসতে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু সময় মতো কেউ না আসায় ২৬ এপ্রিল পিন্টুকে হাসপাতালে পাঠিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। ওই সময় চিকিৎসক তাঁকে ১১ মে আবার আসতে বলেছিলেন। ১১ মে আবার তার দেখানোর কথা থাকায় চিকিৎসককে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
এদিকে পিন্টুর পরিবার এ মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছে। আজ দুপুরে তাঁর হাজারীবাগের বাসায় গেলে তাঁর মা হোসনে আরা, স্ত্রী নাসিমা আক্তার, বোন ফেরদৌসীসহ স্বজনেরা সাংবাদিকদের বলেন, পিন্টুকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁরা এর বিচার চান।
পিন্টুর ভাই নাসিম আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, পিন্টুকে ঢাকায় রেখে চিকিৎসা করানোর জন্য আদালতের নির্দেশ ছিল। কিন্তু রহস্যজনকভাবে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আগে তাঁকে নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে রাজশাহীতে পাঠানো হয়। সেখানে পরিকল্পিতভাবে তাঁর চিকিৎসার অবহেলা করা হয়েছে।
সূত্র —
প্রথম আলো

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ