জমিনে পা রাখি মনে হয় মরি গেছি' - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ২:১৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জমিনে পা রাখি মনে হয় মরি গেছি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০২২ ২:০৬ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ২৪, ২০২২ ২:০৬ পূর্বাহ্ণ

 

নীলফামারী জেলা বলা চলে মেঘ কন্যা হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। জেলার সবুজ বুক চিরে বয়ে গেছে অসংখ্য নদ-নদী।

জেলার একদিকে নদীর স্রোতে ভেসে আসা পাহাড়ি ঠান্ডা পানির প্রবাহ অন্যদিকে হিমালয় থেকে আসা বৈরী আবহাওয়ায় নেমে আসে ভারী শীত বা কুয়াশা। অঞ্চলটিতে জেঁকে বসতে শুরু করেছে শীত। দিন যত এগুচ্ছে তাপমাত্রা তত কমছে। অপরদিকে এদিকে গত কয়েকদিনের শীতে নীলফামারী ২৫০ শয্যা হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে বহুগুণ।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে ১১-১৪ ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠা-নামা করে। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলায় তাপমাত্র ছিল সর্বনিম্ন ১১ দশমিক ২৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আজ বৃদ্ধি পেয়ে সর্বনিম্ন ১২ ডিগ্রী সেলসিয়াসে পৌছেছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৫-৯৮ শতাংশ।

দেখা গেছে, ঘন কুয়াশা আর কনকনে শীত চেপে বসেছে তিস্তাসহ অন্যান্য নদী বেষ্টিত এলাকাগুলোতে। বেলা গড়িয়ে যাওয়ার সাথে সাথে শুরু হয় ঠান্ডা বাতাস। রংপুর অঞ্চলে বেলা সাড়ে ১১ টা নাগাদ সূর্যের দেখা মিললেও উষ্ণতা নেই। এতে জনজীবনে দেখা দিয়েছে ছন্দপতন। নদী তীরবর্তী বেশির ভাগ এলাকার মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শীতের এই হানায় প্রভাব ফেলেছে কৃষকের ধানের বীজতলাতেও।

আজ শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে এতো পরিমানে কুয়াশা পড়েছে যে হাঁটলেই চোখের পাতা ও মাথার চুল ভিজে যাচ্ছে। সাথে বাতাসটা একদম ছিন্নমূলকে কাবু করে ফেলেছে। এতে সড়ক ও আকাশ পথে যান চলাচলেও ব্যাঘাত দেখা দিয়েছে। ঘটছে ছোটখাটো সড়ক দুর্ঘটনা। প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে ভাসমান ও ছিন্নমূল মানুষেরা শীতে কাতর হয়ে পড়েছেন। আর শীত নিবারণের জন্য কম দামে শীতবস্ত্র কিনতে তাঁরা যাচ্ছেন ফুটপাতের দোকানে।

শুটিবাড়ী এলাকার জুলহাঁস নামের এক পথচারী বলেন,’বাবা হামরা কৃষক মানুষ পেটের দায়ে পরিবারের জন্য শীতের মধ্যে কাজ করতে বের হওয়া লাগে। শীতে যখন জমিনে খালি পা রাখি মনে হয় মরি গেছি। কিন্তু উপায় নাই কাজ করি খাওয়া লাগবে তাই বের হইছি। এবারের শীতে হাত পা খালি টাটায় মনে হয় অবশ হয়ে গেছে।’

ডিমলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র রায় ব্রেকিংনিউজকে বলেন, কয়েকদিনে চেয়ে আজকে ঠান্ডা প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আজকে বিকেলবেলা থেকে ঘণ কুয়াশা পড়া শুরু হয়েছে। আরও দুএকদিন এভাবে চলতে পারে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ