জাকসু নির্বাচন কমিশন থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন সহযোগী অধ্যাপক স্নিগ্ধা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:৫৩, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জাকসু নির্বাচন কমিশন থেকে এবার সরে দাঁড়ালেন সহযোগী অধ্যাপক স্নিগ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫ ৫:২৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫ ৫:২৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ও গণনা ঘিরে তালগোলের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের আরেকজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন।

শনিবার দুপুরে ভোট গণনা চলার মধ্যে নির্বাচন কমিশন সদস্য নৃবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক রেজওয়ানা করিম স্নিগ্ধা পদত্যাগ করেন বলেন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান

স্নিগ্ধা বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদের সমাজবিজ্ঞান ভবন কমিটির নৃবিজ্ঞান বিভাগ প্রতিনিধি ছিলেন।

এ নিয়ে নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে দুই নির্বাচন কমিশনার ও তিন কর্মকর্তা সরে দাঁড়ালেন।

বৃহস্পতিবার ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর সকাল থেকেই বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা নানা অসংগতি ও অনিয়মের কথা বলছিলেন। কিন্তু ভোট কারচুপির সরাসরি অভিযোগ তখন কারও ছিল না।

তারা কেন্দ্রে ভোটের চেয়ে ব্যালট বেশি যাওয়া, প্রতিপক্ষের আচরণবিধি ভঙ্গ করা, জামায়াত সংশ্লিষ্ট কোম্পানি থেকে ব্যালট পেপার ও ওএমআর মেশিন কেনা, পোলিং এজেন্টের অনুমতি থাকলেও তাদের প্রবেশে বাধা দেওয়া, ডোপটেস্টের ফলাফল না আসা, নির্বাচনকে ‘ম্যানিপুলেট’ করার নানা অভিযোগ করেন।

এ অবস্থার মধ্যে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার দেড় ঘণ্টা আগে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে প্রথম নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী তানজিলা হোসেন বৈশাখী। এ সময় তার পাশে প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী শেখ সাদি হাসানও ছিলেন।

এর পর জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা জানায় ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) সমর্থিত ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেল। ক্যাম্পাসের মুরাদ চত্বরে এ ঘোষণা দেন প্যানেলের জিএস পদপ্রার্থী শরণ এহসান।

পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয় ‘সংশপ্তক পর্ষদ’ প্যানেল। পরে একই পথে হাঁটে ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আংশিক প্যানেলের প্রার্থীরা। তাদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থীও ঘোষণা দেন ভোট বর্জনের।

এ ছাড়া নির্বাচনি দায়িত্ব থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষক। তারা হলেন, গণিত বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক নাহরিন ইসলাম ও অধ্যাপক শামিমা সুলতানা।

ছাত্র সংসদের ভোট গণনা চলার মধ্যে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে নির্বাচনি প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার।

ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার বিএনপিপন্থি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন।

তার সরে দাঁড়ানোর প্রতিক্রিয়া জানাতে রাত পৌনে ১০টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে আসে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী জোট’ প্যানেল। এই প্যানেলের এজিএস পদপ্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান বলেন, “শেষ মুহূর্তে এসে নির্বাচন কমিশনারের ‘লেজ গুটিয়ে’ পালানো এক ধরনের প্রতারণা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ