জাতীয় সংসদ নির্বাচন : নিবন্ধন পেতে আরও ৮০ দলের আবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৯:০৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৯:০৩ অপরাহ্ণ

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে ৮০টিরও বেশি নতুন রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আবেদন করেছে। রবিবার (৩০ অক্টোবর) আবেদনের শেষ দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ইসির যুগ্মসচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান। আবেদনকৃত দলের মধ্যে রয়েছে নাম সর্বস্ব ভূঁইফোর কিছু দল।
রবিবার (৩০ অক্টোবর) নিবন্ধন আবেদনের শেষ দিনে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বে নাগরিক ঐক্য, নুরু হোসেন নুরুর নেতৃত্বাধীন গণঅধিকার পরিষদসহ আবেদন করেছে ২০টির মতো দল। নিবন্ধন আবেদনে পরিচিত কিছু দলের নাম থাকলেও আছে মুশকিল লীগ, ইত্যাদি পার্টি, বেকার সমাজসহ নাম সর্বস্ব অনেক দল।
তবে এবার বেশ আলোচনায় নতুন নামে জামায়াতের নিবন্ধনের বিষয়টি। এক্ষেত্রে কমিশন বলছে, কারসাজি করে ভিন্ন নামে আবেদন করলেও নিবন্ধনের সুযোগ কম।
নিবন্ধনের অপেক্ষায় থাকা দলের তালিকা-১

এদিকে নির্বাচন কমিশন বলছে, এবার নতুন দলের নিবন্ধন দিতে বেশ কঠোর হবে কমিশন। শতভাগ শর্ত পূরণ না করলে বাতিল হবে আবেদন। নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, কোনো দলের একটি শর্তও যদি অপূর্ণ থাকে নিবন্ধন দেওয়া হবে না। আজ শেষ দিন। এরপর আমরা কমিটি করে দেবো। তারা যাচাই বাছাই করবে। তারপর আমরা দেখে সিদ্ধান্ত দেবো। শর্ত পূরণের ক্ষেত্রে এক শতাংশ কম থাকলেও নিবন্ধন পাবে না। যে কোনো দলের ক্ষেত্রেই এটা প্রযোজ্য হবে।
কমিশন সূত্রে জানা যায়, যাচাই বাছাইসহ সব প্রক্রিয়া শেষে নতুন দলগুলোর নিবন্ধন দেয়া হবে আগামী বছরের মার্চে। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন দল নিবন্ধন দিতে গত ২৯ আগস্ট পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে ইসি। পরে সময় বাড়ানো হয় আরো দুমাস।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৭ সালে সবশেষ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন দেয় নির্বাচন কমিশন। ওই সময় নির্বাচনে ৭৬টি দল আবেদন করলেও সবকটি আবেদনই বাতিল করে ইসি। পরে আদালতের মাধ্যমে নিবন্ধন পায় দু’টি দল। বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল রয়েছে ৩৯টি।
নিবন্ধনের অপেক্ষায় থাকা দলের তালিকা-২

শর্তসাপেক্ষে নিবন্ধন পেলেও স্থায়ী সংশোধিত গঠনতন্ত্র দিতে না পারায় ২০০৯ সালে ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয়।
দশম সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৩ সালে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন আদালত অবৈধ ঘোষণা করে। একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে গেজেট প্রকাশ; তাতে বলা হয়, আদালত জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করায় আরপিও অনুযায়ী দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হল।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিবন্ধন শর্ত প্রতিপালন না করায় ২০১৮ সালে ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন এবং ভোটের পরে ২০২০ সালে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি-পিডিপি, ২০২১ সালে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার নিবন্ধন বাতিল করে ইসি।
ফেরদৌস কোরেশীর দল পিডিপির মাঠ পর্যায়ে যাচাই করে দলটির কেন্দ্রীয় দপ্তর এবং জেলা ও উপজেলা দপ্তরের অস্তিত্ব ও কার্যকারিতা পায়নি কমিশন।
জনতার আওয়াজ/আ আ