জিপিএ ৫ এর পেছনে দৌড়াতে-দৌড়াতে শিক্ষাব্যবস্থার ১২টা বেজে গেছে - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জিপিএ ৫ এর পেছনে দৌড়াতে-দৌড়াতে শিক্ষাব্যবস্থার ১২টা বেজে গেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫ ৬:১৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জুলাই ২০, ২০২৫ ৬:১৫ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি:সংগৃহীত

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেছেন, সার্বিকভাবে আমাদের সম্পদ কম। আমাদের সম্পদ মানুষ। এক্ষেত্রে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। গত ১৯ বছরে শিক্ষার প্রবল অবনতি হয়েছে। জিপিএ ৫ এর পেছনে দৌড়াতে-দৌড়াতে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ১২টা বেজে গেছে। তবে এর পরিবর্তন শুরু হয়েছে।

রোববার (২০ জুলাই) সকালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম জেলার বিভিন্ন উপজেলায় কৃষক ও নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য গৃহীত স্কিম বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেন, সামাজিক শান্তি শৃঙ্খলা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এটি থাকলে যে কোনো দেশ, যে কোনো সমাজ এগিয়ে যেতে পারে। বৈচিত্র্যময়তা আমাদের বেশি। কিন্তু সেই বৈচিত্র্যতাকে আমরা শক্তিতে রূপান্তর করতে পারি যদি সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারি। সে চেষ্টা বহাল আছে। যেখান শান্তি থাকবে সেখানে কেউ তার টাকা ঢালতে যাবে না। শান্তি উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন। এখানে বিপুল সম্ভাবনা আছে।

তিনি বলেন, এই সরকার চাই পার্বত্য তিন জেলায় শান্তি প্রতিষ্ঠা হোক। যদি শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়, এখানে বিপুল সম্ভাবনা আছে। তবে স্বল্প সময়ে আমরা সব কিছু করতে পারব না। তবে শুরু করে দিতে চাই। আগামী কিছুদিনের মধ্যে যেন শান্তিভাব ফিরে আসে। একটা সহাবস্থান নিশ্চিত হয়। এটি করতে পারলে আমরা অনেক এগিয়ে যাব।

অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, বান্দরবান পার্বত্য জেলায় ৪ লাখ মানুষের মধ্যে ১ লাখ ১২ হাজার মানুষ অতীব দরিদ্র। আর খাগড়াছড়িতে ৬ লাখ মানুষের মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার এবং রাঙামাটিতে সাড়ে ৫ লাখ মানুষের মধ্যে ৯০ হাজার মানুষ অতীব দরিদ্র। আর সবদিক থেকে বান্দরবান পিছিয়ে আছে। তিনি বলেন, পার্বত্য এলাকার বাজেট কমার কারণ হলো অর্থ ফেরত যাওয়া।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওসারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

পরে বান্দরবান সদর উপজেলার ৩০০ জনের মাঝে ফলদ, বনজ, বাঁশ ও কফি চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ১১৬ জনের মাঝে বিতরণ করা হয় গবাদিপশু, ৩০ জনকে দেয়া হয় সেলাই মেশিন, ৩১ জনকে দেয়া হয় মাতৃসেবা অনুদান এবং ৫টি প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হয় ক্রীড়াসামগ্রী। পর্যায়ক্রমে কৃষক ও নারীদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য অন্যান্য উপজেলায়ও স্কীমগুলো দেয়া হবে বলে জানান আয়োজকরা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ