টিটো রহমান ও নাজমুস সাকিবের বিরুদ্ধে সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, মে ৭, ২০২৩ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, মে ৭, ২০২৩ ৭:৫৯ অপরাহ্ণ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছাড়ানোর অভিযোগে মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে টিটো রহমান এবং নাজমুস সাকিবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
রবিবার রংপুর সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তুষার কান্তি মন্ডল। মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ইব্রাহীম আলী ও আনিস মিয়া। একই সঙ্গে মামলায় ৮ থেকে ১০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
অভিযুক্ত টিটো রহমান রাজধানীর জিগাতলা এলাকার মৃত ডা. মতিনুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে কানাডা প্রবাসী। ‘নাগরিক টিভি’ নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নিজের পরিচয় দেন তিনি। নাজমুস সাকিব সবুজবাগ এলাকার জলিলুর আজমের ছেলে। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী নাজমুস সাকিব নিজের পরিচয় দেন নাগরিক টিভির বার্তা সম্পাদক হিসেবে।
মামলাটি আমলে নিয়ে রংপুরের সিআইডি পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক ড. আব্দুল মজিদ। মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন শাম্মি আক্তার, আজগার আলী, আমিনুল ইসলাম, আহসান হাবীব জুয়েলসহ কয়েকজন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন রুহুল আমিন তালুকদার।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আসামিরা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গুজব, আপত্তিকর, কুরুচিপূর্ণ, মিথ্যা, বানোয়াট, বিভ্রান্তিকর ও রাষ্ট্রবিরোধী তথ্য বারবার প্রচার করছে। শুধু প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার নয়; তার আত্মীয় স্বজন, আওয়ামী লীগের বিভিন্ন জ্যেষ্ঠ নেতা এবং দলের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের বিরুদ্ধেও বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করছে আসামিরা। এমনকি দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীদের নিয়েও প্রতিনিয়ত গুজব ছড়াচ্ছে তারা।
মামলার বাদী বাবু তুষার কান্তি মন্ডল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে যারা কটূক্তি করে ইউটিউবে লাইভ করেছে তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। আমি দ্রুত তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানাই।
অপরদিকে, একই আদালতে একই অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়েরের আবেদন করেছেন রংপুর মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আসিফ হোসেন। আবেদনটি সোমবার (৮ মে) শুনানির জন্য রেখেছেন আদালত।
জনতার আওয়াজ/আ আ