ডাকসু নির্বাচন, ভিপি হতে কত ভোট প্রয়োজন - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:০৪, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ডাকসু নির্বাচন, ভিপি হতে কত ভোট প্রয়োজন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, আগস্ট ২৪, ২০২৫ ২:৫৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, আগস্ট ২৪, ২০২৫ ২:৫৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭ বার ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনের ভিন্নি ভিন্ন প্রেক্ষাপট ও রয়েছে। কখনো স্বৈরাচারের দুর্দান্ত প্রতাপ আবার কখনো মুক্ত পরিবেশে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রেক্ষাপটের ভিন্নতার মাঝে ভোটার উপস্থিতির তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। সেই সাথে প্রার্থীর সংখ্যাও।

সর্বশেষ ২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে অনুষ্ঠিত হলেও এই বছরের মতন এমন উৎসাহ ছিল না। কারণ সেই সময় ছাত্রলীগের বিপরীতে নির্বাচন করার মতন তেমন সাহস খুব কম ছাত্রের ছিল।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে ভোটার এবং প্রার্থীদের মধ্যে তুমুল উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রার্থীদের সংখ্যা দেখলেই আমাদের কাছে এই তথ্য পরিষ্কার হয়ে যায়।

এই বছর অর্থাৎ ২০২৫ নির্বাচনে ভিপি পদে ৪৮, জিএস পদে ১৯ এবং এজিএস পদে ২৮ জন প্রার্থী লড়ায় করবেন। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।

১৯৯০ সালের ডাকসু নির্বাচন

স্বৈরশাসক এরশাদের সময় ১৯৯০ সালের ডাকসু নির্বাচন অনুষি্ঠত হয়। এর পর প্রায় তিন দশক আর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় নি। বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তখন মোট নিবন্ধিত ভোটার ছিল ২৮,৬৯০ জন। তাদের মধ্যে মোট ১৮,০৩৪ জন ভোট প্রদান করেন। ভোটগ্রহণের হার ছিল ৬২.৯৫%।

উক্ত নির্বাচনে আমানউল্লাহ আমান প্রায় ৭,৩৮৯ ভোট পেয়ে ভিপি নির্বাচিত হন।

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচন

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচন ছিল সম্পূর্ণ একপেশে। উক্ত নির্বাচনে ছাত্রলীগের একচ্ছত্র আধিপত্য থাকায় প্রার্থীর সংখ্যা ছিল খুব কম। সেই সাথে ছাত্রলীগের তৈরি করা ভয়ার্ত পরিবেশে ছাত্রলীগের প্যানেল ছাড়া অন্য কাউকে ভোট দেবার কথা ভাবতে পারে নি, শিক্ষার্থী ভোটাররা।

২০১৯ সালের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির পরিমান ছিল খুব কম। প্রায় ৪৩,২৪৪ জন নিবন্ধিত ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন, প্রায় ২৪,০০০ জনের মতো। মাত্র ৫৪% ভোট প্রদান করা হয়।

২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রলীগের প্যানেলের জয়জয়কার ছিল। তবুও তাদের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে নুরুল হক নুরের কাছে করুণ পরাজয় বরণ করতে হয়েছে। উক্ত নির্বচনে শোভন ৯ হাজার ১২৯ ভোট পেয়েছিল। বিপরীতে ১১ হাজার ৬২ ভোট পেয়ে নুরুল হক নুর বিজয়ী হয়েছিলেন।

২০২৫ সালে কেমন ভোট লাগতে পারে?

পূর্বের দুইটি নির্বাচন বিশ্লেষন করে দেখা যায়, নির্বাচনে ভোটার উপস্থিত সংখ্যা ছিল প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ। যেহেতু এই বছর নির্বাচনী আমেজ অনেক বেশী লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাতে ভোটার উপস্থিত সংখ্যা একটু বেশি হবে বলে মনে হচ্ছে।

ভোটার উপস্থিতি যেমনই হোক না কেন, এই বারের প্রার্থীদের ৫/৭ জন তুমুল জনপ্রিয় মুখ। আবার তাদের অনেকে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দিয়ে উঠে এসেছে। যার ফলে যিনি বিজয়ী হবেন তার সাথে অন্যদের ব্যবধান খুব বেশি হবে বলে মনে হয় না। এমনও হতে পারে পাঁচ হাজার ভোট পেয়ে কেউ ভিপি নির্বাচিত হয়ে যাবেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ