ডিসেম্বরের মধ্যে ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত হচ্ছে বরিশাল বিভাগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বুধবার, মার্চ ২২, ২০২৩ ৫:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বুধবার, মার্চ ২২, ২০২৩ ৫:০৯ অপরাহ্ণ

বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ১৮টি উপজেলায় প্রায় পাঁচ হাজার বসতঘর হস্তান্তর করা হচ্ছে।
বুধবার (২২ মার্চ) তৃতীয় পর্যায়ের অবশিষ্ট এবং চতুর্থ পর্যায়ে সারাদেশে ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ গৃহ প্রদান করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভাচুর্য়ালে ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার আমিন উল আহসান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী বরিশালের বানরীপাড়াসহ দেশের তিনটি উপজেলায় সংযুক্ত থেকে উপকারভোগীর সাথে সরাসরি কথা বলেছেন। বানারীপাড়া উপজেলার উত্তরপাড় আশ্রয়ণ প্রকল্পের দুইজন নারী ও দুইজন পুরুষ উপকার ভোগীর সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি কথা বলেছেন।
একইসাথে প্রধানমন্ত্রী বরিশাল বিভাগের ১৮টি উপজেলাকে শতভাগ ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেছেন। এর আগে বিভাগের ঝালকাঠির কাঠালিয়া এবং পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলাকে শতভাগ ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করেছেন। এ নিয়ে দক্ষিণাঞ্চলের ৪২টি উপজেলার ২০টি ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার আরও বলেন, ‘বিভাগকে শতভাগ ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণার লক্ষ্যে সুবিধাভোগীদের তালিকা চূড়ান্ত করে ঘর নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। আগামী ৩০ জুনের মধ্যে দ্বীপ জেলা ভোলা ছাড়া বিভাগের সবকটি জেলা শতভাগ ভূমি ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হবে। পাশাপাশি চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের আগেই ভোলা জেলাকেও শতভাগ ভূমি ও গৃহহীন মুক্তের আওতায় এনে সমগ্র দক্ষিণাঞ্চলেকে ‘ভূমি ও গৃহহীনমুক্ত’ ঘোষণা করা সম্ভব হবে।
সূত্রমতে, ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান কার্যক্রমের আওতায় বরিশাল বিভাগে প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে ১৩ হাজার ২৪১টি এবং তৃতীয় পর্যায়ে দুই ধাপে ছয় হাজার ৭৬০টিসহ মোট ২০ হাজার একটি ঘর তৈরি করে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার তৃতীয় পর্যায়ের অবশিষ্ট এবং চতুর্থ পর্যায়ে মোট ৪ হাজার ৭৭৯টি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে জমিসহ ঘর প্রদান করা হয়েছে।
নতুন এসব ঘর অত্যন্ত মজবুত ও টেকসইভাবে তৈরি হয়েছে দাবি করে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘চতুর্থ পর্যায়ে প্রতিটি ঘর নির্মাণে ২ লাখ ৮৪ হাজার ৫০০ টাকা করে ব্যয় করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রত্যেক উপকারভোগীকে স্থানভেদ ৫০ হাজার থেকে পাঁচ লাখ টাকা মূল্যের দুই শতক করে জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ