ঢাকা জেলা বিএনপির কাউন্সিল দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিবেন প্রার্থীরা - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৫৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঢাকা জেলা বিএনপির কাউন্সিল দলের যেকোনো সিদ্ধান্ত মেনে নিবেন প্রার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৩:০৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৩:০৪ অপরাহ্ণ

 

আনন্দ-উচ্ছাসের মধ্য দিয়ে ঢাকা জেলা বিএনপির কাউন্সিল শুরু হয়েছে। দুপুর ২টা থেকে এ কাউন্সিলের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হলেও সকাল থেকে বিভিন্ন থানা ও উপজেলা থেকে নেতাকর্মীদের ভিড় করতে দেখা গেছে। জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলাপোপা মাঠে আয়োজিত এই কাউন্সিলকে ঘিরে জেলা বিএনপির পদ প্রত্যাশীরাও দৌঁড়-ঝাপ করছেন। তবে এ কাউন্সিলে দলের সাবেক, বর্তমান কমিটি এবং অঙ্গ সংগঠনের অনেককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে।

আজকের কাউন্সিলে নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হচ্ছে না। নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্ব জেলার এক হাজার ১০ জন কাউন্সিলর লিখিতভাবে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের উপর ন্যস্ত করেছেন। তিনি সবার সঙ্গে কথা বলে এবং তৃণমূল পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক পদে নেতৃত্ব আনবেন বলে জানা গেছে।

সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান মো. সালাউদ্দিন বাবুকে সভাপতি ও খন্দকার আবু আশফাককে সাধারণ সম্পাদক করে ৪৯ সদস্যের ঢাকা জেলা বিএনপির আংশিক কমিটি গঠন করা হয়। মেয়াদ শেষের এক বছর পর ২০১৯ সালের ২৪ মার্চে কমিটিকে ২৬৬ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়।

পরে কাউন্সিলের মাধ্যমে জেলার ১০টি সাংগঠনিক ইউনিট কমিটি গঠন করেন নেতারা। এসব কমিটি গঠনে নানান অভিযোগ থাকলেও দীর্ঘ ২৫ বছর পর নতুন কমিটি গঠন করায় সন্তুষ্ট তৃণমূল বিএনপি। এবার মান-অভিমান ভুলে সব পক্ষ কাউন্সিলের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন বলে জেলার নেতারা জানান।

ঢাকা জেলা বিএনপির শীর্ষ পদ পেতে লবিং করছেন বর্তমান সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক এবং সাধারণ সম্পাদক পদে তমিজ উদ্দিন, ব্যারিস্টার ইরফান ইবনে আমান অমি, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল কবির পল, সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ, খোরশেদ আলম, নাজিম উদ্দিন (ভিপি নাজিম)। এর বাইরে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনায় আছেন দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী।

এসব পার্থীরা দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন। এক্ষেত্রে রাজনৈতিক জীবনে তাদের ত্যাগ-শ্রম আর সাংগঠনিক তৎপরতার বিভিন্ন দিক তুলে ধরছেন।

রেজাউল কবির পলের সমর্থক নেতাকর্মী ও কাউন্সিলররা জানান, ছাত্রদলের একেবারে তৃণমূল থেকে উঠে এসেছেন রেজাউল কবির পল। ১৯৯০ সালে ইস্পাহানী ডিগ্রি কলেজ থেকে তার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। পরে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতিও নির্বাচিত হন। পর্যায়ক্রমে তিনি কেরানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি হন। পরে ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, ঢাকা জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।

রেজাউল কবির পল জানান, দল যখন যেখানে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন তখন সেখানে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। সামনেও করবেন। জেলা বিএনপিকে ঢেলে সাজিয়ে আরও শক্তিশালী করতে তাকে যে দায়িত্বই দেয়া হোক তিনি তা পালন করবেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের উপর তিনি আস্থা রেখে রাজনীতি করেন। তাই তাদের যেকোনো সিদ্ধান্ত তিনি সব সময়ই মেনে নিবেন।

জেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক খোরশেদ আলম জানান, তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত। সেখান থেকে জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাভার পৌরসভায় নির্বাচিত কাউন্সিলর ছিলেন তিনি। দলের হাইকমান্ড তাকে যেখানে দায়িত্ব দিবেন সেখানে তিনি কাজকরতে প্রস্তুত রয়েছেন বলেও তিনি জানান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ