ঢিমেতালে এগোচ্ছে গণতন্ত্র মঞ্চবৃহৎ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা নেতাদের - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:০৮, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঢিমেতালে এগোচ্ছে গণতন্ত্র মঞ্চ
বৃহৎ কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা নেতাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ ৮:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২২ ৮:৩১ অপরাহ্ণ

 

ঢাকঢোল পিটিয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের আত্মপ্রকাশ ঘটলেও রাজপথের আন্দোলনে এই জোট তেমন সরব নয়। প্রতিটি দলই নিজেদের কর্মসূচি নিয়ে ব্যস্ত। জোটের পরিধি বাড়ানো, জোটকে অধিকতর সক্রিয় করতে কোনো পরিকল্পনা নেই বলে অভিযোগ কর্মীদের। তবে জোটের নেতারা বলছেন, তাঁরা আন্দোলনে আছেন। বৃহৎ পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা তাঁদের রয়েছে।

‘ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ গণসংগ্রাম জোরদার করুন’ স্লোগান নিয়ে গত ৮ আগস্ট গণতন্ত্র মঞ্চ আত্মপ্রকাশ করে। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি, নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, ভাসানী অনুসারী পরিষদ ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন সরকার হটানোর লক্ষ্য নিয়ে এই মঞ্চ গঠন করে। নির্বাচনকালীন সরকারসহ রাষ্ট্র, সংবিধান, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও সরকারব্যবস্থা নিয়ে সুনির্দিষ্ট সংস্কারের লক্ষ্যে ১৭ দফা প্রস্তাব ও দাবি রয়েছে তাঁদের। জ্বালানি তেলসহ দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচিরও ডাক দেয় নতুন জোট। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি সারের মূল্যবৃদ্ধির মতো চলমান ইস্যুতে রাজপথে থাকার বিষয়ে নেতারা একমত হন। জাতীয় নির্বাচনের আগে সারাদেশে সভা-সমাবেশের মাধ্যমে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়ে গঠিত গণতন্ত্র মঞ্চ ভবিষ্যতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি এবং সরকারের পদত্যাগের দাবিতে যেসব দল ও সংগঠন একাত্মতা ঘোষণা করবে, তাদেরও ঐক্যবদ্ধ করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়।

জোট গঠনের পর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি সমাবেশ ও গণমিছিল ছাড়া রাজপথে তাঁদের উপস্থিতি তেমন নেই। মাঝখানে তাঁরা পেশাজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। তবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ শুক্রবার জাতীয় জাদুঘরের সামনে সমাবেশের আয়োজন করেছেন তাঁরা।

জোটের নেতাকর্মীরা জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে জোটকে আরও কার্যকর করতে এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে বেশি করে কর্মসূচির প্রয়োজন ছিল। ধারাবাহিক কর্মসূচির মধ্যে থাকতে না পারলে নেতাকর্মীদের মধ্যে নিষ্ফ্ক্রিয়তা চলে আসবে। যে উদ্দেশ্য নিয়ে শরিক দলের শীর্ষ নেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়েছিলেন, সেখান থেকে অনেকটা সরে ঢিমেতালে এগোচ্ছেন তাঁরা। প্রায় প্রতিদিন জোটের সভা হলেও তাতে গড়হাজির শীর্ষ নেতারা। এসব কারণে নতুন জোট নিয়ে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ছিল তা অনেকটা কমে এসেছে।

তবে এসব অভিযোগ মানতে নারাজ ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু। তিনি বলেন, নতুন জোট ঘেষণার পরই তাঁরা কর্মসূচি নিয়েছেন। আগামী মাসে তাঁদের আট বিভাগে সমাবেশ হওয়ার কথা। তাঁরা সাধ্যমতো কর্মসূচি নিয়ে মাঠে আছেন।

গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, জোটের দলগুলোর সক্ষমতা অন্য বড় রাজনৈতিক দলের মতো নয়। তবে এখন থেকে তাঁরা নিয়মিত রাজপথের কর্মসূচিতে থাকবেন। অক্টোবর মাসের পুরোটাই তাঁরা ঢাকায় বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ করবেন।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, তাঁরা তো নিয়মিতই রাজপথে আছেন। জোট গঠনের পর রাজধানীতে ছোট ছোট সমাবেশ করেছেন, মতবিনিময় করেছেন। বৃহৎ পরিসরে কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা তাঁদের রয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ