তারেককে ফেরাতে যুক্তরাজ্যের কাছে দাবি নানকের - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

তারেককে ফেরাতে যুক্তরাজ্যের কাছে দাবি নানকের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, আগস্ট ১৮, ২০২৩ ৮:১৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, আগস্ট ১৮, ২০২৩ ৮:১৭ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
আওয়ামী লীগের সমাবেশে বর্বরতম ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় দণ্ডিত বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে যুক্তরাজ্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক।

শুক্রবার (১৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে বাংলাদেশ যুব মহিলা লীগ আয়োজিত এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে দিয়ে এ দাবি জানান তিনি।

ভয়াবহ ২১ আগস্টের ঘটনা তুলে ধরে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু কন্যাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে এই রাজপথে রক্তের প্লাবন বইয়ে দিয়েছে। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ সেদিন হত্যার লীলাভূমিতে পরিনত করেছিলো তারেক রহমান। সেদিন খালেদা জিয়ার সরকারের শাসনামলে কেন হাওয়া ভবন সরকার গঠন করা হলো খুনি তারেকের নেতৃত্বে? তার পরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে শান্তি সমাবেশে একটি, দুইটি, পাঁচটি নয়; ১৪টি গ্রেনেড নিক্ষেপ করা হলো।

“শেখ হাসিনাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়ার জন্য সেদিন রক্তের বন্যা বইয়ে দিয়েছিলো। নেতাকর্মীরা মানবঢাল দিয়ে তাকে রক্ষা করে যখন গাড়িতে ওঠানো হচ্ছিল, তখন তার গাড়িতে বেপরোয়া গুলি বর্ষণ করা হলো। এই তো ছিলো বিএনপির ইতিহাস।”

এ সময় তিনি বিএনপি নেতা তারেক রহমানকে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেয়ার জন্য যুক্তরাজ্যের কাছে দাবি জানান।

বিভিন্ন দেশ বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয়-প্রশয় দেয় বিষয়ে বিস্ময় প্রকাশ করে নানক বলেন, এখন পর্যন্ত যাদেরকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে তাদের মধ্যে নুর চৌধুরী আছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, কানাডায় আছেন মেজর কিসমত।

“আমাদের প্রশ্ন, এই খুনিরা যে দেশ দুটিতে রয়েছে সেই দেশ দুটি মানবাধিকারের গণতন্ত্র সভ্যতার কথা বলে আর খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়। সেটার ধিক্কার জানানোর ভাষা জানা নেই।”

বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল বলেছেন, জিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত নয়। আমরা প্রশ্ন রাখতে চাই, বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার পর সর্বোচ্চ সুবিধাভোগী কে হয়েছে? সেই সুবিধাভোগী জিয়াউর রহমান। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর জেনারেল জিয়া অবৈধভাবে আইন লঙ্ঘন করে সেদিন হ্যাঁ-না ভোট দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আত্মস্বীকৃত খুনিদের এমপি বানিয়েছিলেন। মির্জা ফখরুল জবাব দেবেন কি কারণে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের সংসদে এনেছিলো?

“যখন খুনিদের বিরুদ্ধে জাগরণ গণধিক্কার সৃষ্টি হয়েছে, তখন খুনিদের বিশেষ বিমানে বিদেশে কে পাঠিয়েছিলো? সে জিয়াউর রহমান। বিভিন্ন দুতাবাসে চাকরি কে দিয়েছিলো? জিয়াউর রহমান। হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত বিধায় হত্যার মুল পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমান এই খুনিদেরদের দেশ থেকে বাইরে পাঠিয়ে ওই বিদেশি বাংলাদেশের বিভিন্ন দুতাবাসে চাকরি দিয়েছিলো।”

এ সময় মির্জা ফখরুলকে ইতিহান জেনে কথা বলার পরামর্শ দেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

যুব মহিলা লীগের সভাপতি আলেয়া সারোয়ার ডেইজীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শারমিন সুনতানা লিলি সঞ্চলনায় আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। এছাড়াও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুব মহিলা লীগের সভাপতি ফারজানা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক নিলুফা রহমান, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি তাহেরা খাতুন লুৎফা, সাধারণ সম্পাদক শামীমা রহমান বক্তব্য রাখেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ