তিন মাস বন্ধের পর উম্মুক্ত হলো সুন্দরবন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩ ২:৩২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১, ২০২৩ ২:৩২ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবন। এর ফলে পর্যটক, মৎস্যজীবী ও বনজীবীরা অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
এর আগে, বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়াতে গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকে সুন্দরবনে মাছ শিকার ও পর্যটকবাহী পরিবহণ এবং ভ্রমণ।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রজনন মৌসুমে দুই লাখ ৪৩ হাজার হেক্টর আয়তনের বনটির ৪২০টি নদী-খালে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এতে ইলিশসহ ৪৭৫ প্রজাতির মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন হয়। তবে, এ সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়ে মোংলার বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল প্রায় ১০ হাজার জেলে পরিবার। পাশাপাশি অলস সময় কাটার ট্যুর অপারেটররাও।
এদিকে, নিষেধাজ্ঞা শেষের প্রথম দিনে আজ শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে পর্যটক নিয়ে চারটি লঞ্চ সুন্দরবনে প্রবেশ করেছে। আর ট্রলার ও জালিবোটেও পর্যটকেরা যাচ্ছেন করমজলে। পর্যটন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, ‘পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনে ভ্রমণ শুরু হয়েছে। তবে, তিন মাসে যে ক্ষতি হয়েছে আমাদের তা কোনোভাবেই কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।’
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় বনের নদী-খালে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হয়েছে।’
দীর্ঘ তিন মাস বন্ধ থাকার পর খুলে দেওয়া হয়েছে সুন্দরবন। এর ফলে পর্যটক, মৎস্যজীবী ও বনজীবীরা অনুমতি নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করতে পারছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে সুন্দরবনে প্রবেশ সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।
এর আগে, বন্যপ্রাণী ও মাছের প্রজনন মৌসুম হওয়াতে গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ থাকে সুন্দরবনে মাছ শিকার ও পর্যটকবাহী পরিবহণ এবং ভ্রমণ।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, প্রজনন মৌসুমে দুই লাখ ৪৩ হাজার হেক্টর আয়তনের বনটির ৪২০টি নদী-খালে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এতে ইলিশসহ ৪৭৫ প্রজাতির মাছের প্রজনন নির্বিঘ্ন হয়। তবে, এ সময়ে কর্মহীন হয়ে পড়ে মোংলার বঙ্গোপসাগর ও সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল প্রায় ১০ হাজার জেলে পরিবার। পাশাপাশি অলস সময় কাটার ট্যুর অপারেটররাও।
এদিকে, নিষেধাজ্ঞা শেষের প্রথম দিনে আজ শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে পর্যটক নিয়ে চারটি লঞ্চ সুন্দরবনে প্রবেশ করেছে। আর ট্রলার ও জালিবোটেও পর্যটকেরা যাচ্ছেন করমজলে। পর্যটন ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান বলেন, ‘পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনে ভ্রমণ শুরু হয়েছে। তবে, তিন মাসে যে ক্ষতি হয়েছে আমাদের তা কোনোভাবেই কাটিয়ে উঠা সম্ভব নয়।’
পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘তিন মাসের নিষেধাজ্ঞায় বনের নদী-খালে মাছ ও বন্যপ্রাণীর প্রজনন বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হয়েছে।’সূত্র: এনটিভি
জনতার আওয়াজ/আ আ