দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের কোনো অবদান নেই: ডিএসইর চেয়ারম্যান - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:২৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের কোনো অবদান নেই: ডিএসইর চেয়ারম্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, মে ১৩, ২০২৪ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, মে ১৩, ২০২৪ ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে পুঁজিবাজারের কোনো অবদান নেই। পুঁজিবাজারকে ক্রান্তিকাল পেরিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চেয়ারম্যান ড. হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু।

সোমবার (১৩ মে) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নিজস্ব কার্যালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএসই চেয়ারম্যান বলেন, দেশের অর্থনীতিতে সুবাতাস নিয়ে আসতে এবার স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি কোম্পানিগুলো যাতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় এ বিষয়ে কাজ করতে অর্থবিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় নড়েচড়ে বসেছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) প্রধান।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য পুঁজিবাজার দেশের ইতিহাসে এখনো অর্থনীতিতে কোন অবদান রাখতে পারেনি। আজকের বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য হলো কিভাবে দেশের অর্থনীতে অবদান রাখা যায় এবং শেয়ারবাজার গতিশীল করা যায় তা নিয়ে একটা রোডম্যাপে আগাতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে সিইও ফোরামের সাথে আমরা বৈঠক করেছি। লং-টার্ম বিনিয়োগ ছাড়া শেয়ারবাজারে গতিশীলতা বাড়বে না। এজন্য আমরা এই বিষয়ে কাজ করছি। মানি মার্কেট থেকে ক্যাপিটাল মার্কেটের দিকে ধাবিত হতে হবে বলে জানান।

ডিএসইর চেয়ারম্যান বলেন, বিএসইসির চেয়ারম্যানের আইপিও’র ক্ষেত্রে যে ইতিবাচক মন্তব্য করেছে তা আমাদের কাজে অনুপ্রেরণা দিবে। আমরা নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরামর্শের ভিত্তিতে কাজ করবো। তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের এই নেতিবাচক সময়ে সংকট কাটিয়ে উঠতে সিইও ফোরাম কর নীতি, বাজারে পণ্য বৃদ্ধি সহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে। অপরদিকে সমস্যা সমাধানে বিএসইসির সঙ্গে বৈঠক করার কথা জানিয়েছে ডিএসই চেয়ারম্যান।

হাফিজ মুহম্মদ হাসান বাবু বলেন, চলতি বছরের শুরুতে ফ্লোর প্রাইস তুলে নেয়া হলে ধারাবাহিক পতন শুরু হয় পুঁজিবাজারে। পরে শেয়ার দর সর্বনিম্ন তিন শতাংশ কমার সার্কিট ব্রেকার নির্ধারণ করে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। এতে ধীরে ধীরে কিছুটা গতি আসে শেয়ারবাজারে।

তিনি বলেন, ডিএসই কখনো চায় না বিনিয়োগকারীরা নিরাশ হোক। আমরা কখনো আর্টিফিশিয়ালি মার্কেট পছন্দ করিনা। বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের পরামর্শ আমরা পজিটিভলি দেখছি। তার বক্তব্য ও নির্দেশনা আমাদের অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করছে। সবশেষ পুঁজিবাজারকে আমরা দেশের অর্থনৈতিক হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবো। আমরা প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশনা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করবো।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ