দেশের সব রক্তাক্ত ঘটনার সাথে আ'লীগ জড়িত: রিজভী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৫৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দেশের সব রক্তাক্ত ঘটনার সাথে আ’লীগ জড়িত: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, নভেম্বর ৬, ২০২৪ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, নভেম্বর ৬, ২০২৪ ৮:৩৭ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

এদেশে যত রক্তাক্ত ঘটনা সবগুলোর সাথে আওয়ামী লীগ জড়িত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘একটা দেশে-যখন নৈরাজ্য রক্তপাত অন্যায় অবিচার শুরু হয় তখন সাধারণত দেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে এর বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে আসে। সেনাবাহিনী দেশের জনগণের একটি বাহিনী। তারা দেশের জনগণের পক্ষে থাকবে। বিভিন্ন সময় বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় এরকম হয়েছে। ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে যে মর্মান্তিক ঘটনাটা ঘটেছে সেই ঘটনার সাথে শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের লোকজন জড়িত। এদেশে যত রক্তাক্ত ঘটনা সবগুলোর সাথে আওয়ামী লীগ জড়িত।

রিজভী বলেন, ‘৩ নভেম্বর আরেকটা ঘটনা ঘটলো। দেশ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ল, তখন সেনাবাহিনী তাদের যে নির্দিষ্ট সীমা সেই সীমা থেকে বেরিয়ে আসলো এবং দেশের জনগণ তাদের অধিকার আদায়ের জন্য বেরিয়ে আসলো। তখন এক মহা বিপ্লব সংঘটিত হলো। পরাজিত শক্তি যারা এদেশের গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল তাদেরই একটা অংশ পরাজিত হলো। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান তখন জেলে ছিলেন। তিনি জেল থেকে বের হলেন-এদেশের জনগণ আশা দেখলেন-তারা গণতন্ত্র ফিরে পাবেন। মুক্তির যে ইচ্ছা আকাঙ্ক্ষা সেটা ফিরে পাবেন। এই স্বপ্ন পূরণে এক অদম্য সাহসী রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকায় আবির্ভাব হলেন স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।

বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের সকল গণমাধ্যমকে বন্ধ করে দিয়েছিলেন সকল রাজনীতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেছিলেন। এমনকি আওয়ামী লীগ নতুন করে আবেদন করে তারা তাদের কার্যক্রম শুরু করলো আর এটার অবদান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের। সেই ধারাবাহিকতার উৎসব হচ্ছে ৭ নভেম্বর।

রিজভী বলেন, ‘৭ নভেম্বরের স্পিডটা হচ্ছে যে দেশীয় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখা। ৭২ থেকে ৭৫ পর্যন্ত সেই নিশ্চয়তা ছিল না। অন্য দেশের হুকুমের গোলাম ছিল। কিন্তু ৭ নভেম্বরের পড়ে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ জিয়াউর রহমান যখন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিলেন তখন একটা স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি কৃষি-নীতি শিল্পনীতি করলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব আরও বলেন, ‘এই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র জনতা সম্মিলিতভাবে রাস্তায় নেমে এসেছে। এখানে ছাত্রদের ভূমিকা অপরিসীম। তারা সামনের কাতারে দাঁড়িয়ে জীবনকে উৎসর্গ করে শেখ হাসিনাকে পতন করেছে। ৭ নভেম্বরে যে স্পিডটা দেখেছি সেটাই এখানে কাজে লাগিয়েছে। এখন আমাদের আরো কিছু কাজ বাকি আছে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে হবে। ৭ নভেম্বরের চেতনা যুগ যুগ ধরে থাকবে। যখনই কোন সরকার ফ্যাসিবাদ রূপ ধারণ করবে একনায়তন্ত্র ধারণ করবে গণতন্ত্র হত্যা করবে তখনই ৭ নভেম্বরের চেতনায় তাদের বিরুদ্ধে জনগণ রাস্তায় নেমে আসবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ