দেশে আবারো অভিশপ্ত একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছে : রিজভী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৫৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দেশে আবারো অভিশপ্ত একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছে : রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৪ ২:৩০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০২৪ ২:৩১ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
দেশের সমস্ত কিছু একদলীয় বাকশালময় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের মতো বর্তমানেও দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দেশে আবারো অভিশপ্ত একদলীয় বাকশাল কায়েম করা হয়েছে। একদলীয় সরকার, একদলীয় সংসদ, একদলীয় আইন—কানুন, বিচার আচার, প্রশাসন—সমস্তকিছু একদলীয় বাকশালময়।

বৃহস্পতিবার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, নিষ্ঠুর একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার সেই ২৫ জানুয়ারী আজ। এই গণবিরোধী চতুর্থ সংশোধনীটি মাত্র ১১ মিনিটে পাশ হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য বিশুদ্ধ, প্রাণবন্ত, গতিশীল বহুদলীয় গণতন্ত্র ও নাগরিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং যুদ্ধে তিরিশ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ১৯৭৫ সালে একদলীয় ডিক্টেটরশিপ বাকশাল কায়েমের কালো দিন আজ সেই ২৫শে জানুয়ারী।

পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলেছে অভিযোগ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, পরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে এগিয়ে চলেছে। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা দখলের পর শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস নৈরাজ্যের ধারাবাহিকতায় প্রশ্ন ফাঁস ও পরীক্ষায় নকলের সুযোগ করে দেওয়ার ঘটনা ছিলো বিগত বছরগুলোতে সবচেয়ে ‘টকস অব দ্য ডিকেট’। এবার যোগ হলো নতুন শিক্ষানীতি ও দেশের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ বিরোধী কারিকুলাম।

রিজভী বলেন, দেশবিরোধী ও ধর্মীয় মূল্যবোধ বিরোধী নতুন এ শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম বাস্তবায়ন হলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে। কথায় আছে কোনো জাতিকে ধ্বংস করার জন্য পারমাণবিক হামলা কিংবা ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের দরকার নেই। বরং সেই জাতির শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করলেই হবে।

আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় আসে তখনই গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এমনভাবে সাজানো হয় যাতে নতুন প্রজন্মকে তাবেদার বানানো যায়। সর্বজনীন নয়, বরং কোন একটি দেশের শিক্ষাক্রম অনুকরণ করে নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।

দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পরনির্ভরশীল করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে এবং গোটা জাতির মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দেয়ার অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই শিক্ষা কারিকুলাম চালু করা হচ্ছে। এই শিক্ষা সিলেবাস জাতি ঘৃনাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। চলমান কারিকুলামে বাংলাদেশে উৎকর্ষতর শিক্ষা ব্যবস্থার অনুকুল সমাজভূমি কখনোই নির্মাণ হবে না।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, আপনারা জানেন কয়েক বছর পূর্বে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে সৃজনশীল পদ্ধতি প্রবর্তনের মাধ্যমে নতুন কিছু করার প্রচেষ্টা চালানো হলেও সেটা কার্যত ব্যর্থ।বর্তমানে আবার নতুন শিক্ষানীতি ও কারিকুলামের মাধ্যমে বিজ্ঞান শিক্ষাকে সংকোচন করা হয়েছে, ধর্ম শিক্ষার মাধ্যমে নৈতিক মূল্যবোধ সৃষ্টির প্রয়াসকে চূড়ান্তভাবে উপেক্ষা করা হয়েছে, স্বাস্থ্য সুরক্ষা শিক্ষার নামে যৌন শিক্ষা চালু করে কিশোর মনকে বিকৃত করার চেষ্টা চালানো হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ, যোগ্য, নৈতিকতাসম্পন্ন হিসেবে গড়ে তোলার পরিবর্তে তারা বার বার শিক্ষাখাতকে বিতর্কের দিকে ঠেলে দিচ্ছে যার ফলে দেশের মানুষ শিক্ষাব্যবস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিয়ে শংকিত। বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে কিছু তথ্য আপনাদের সামনে তুলে ধরছি :

প্রস্তাবিত শিক্ষা কারিকুলামে বিজ্ঞান শিক্ষার মারত্মক সংকোচন দৃশ্যমান। ফিজিক্স—কেমিষ্ট্রি—বায়োলজি মিলিয়ে একটা মিক্সার থাকবে ৯ম—১০ম শ্রেণিতে সবার পড়ার জন্য, আর কোনো অপশন থাকবে না। কিন্তু ফিজিস্ক, কেমেষ্ট্রি, বায়োলজির মতো পিওর সায়েন্স মাধ্যমিক লেভেল থেকে তুলে দিয়ে কিশোর—তরুণদের বিজ্ঞানমনস্ক হওয়ার পথে অন্তরায় তৈরী করা হবে। এই কারিকুলাম বাস্তবায়নের ফলে বৈশ্বিক মানদণ্ডে পেশা ভিত্তিক জ্ঞান, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হবে। চলমান শিক্ষা কারিকুলাম বাস্তবায়নে শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয়ভার অনেক বেশি।

তিনি বলেন,’অনলাইন নিঃসন্দেহে প্রযুক্তির একটি বড় অবদান। কিন্তু প্রযুক্তির ওপর অতিনির্ভরতা প্রযুক্তি দানবে পরিণত হতে পারে। অনলাইন ব্যবহার সীমিত করার পরিবর্তে ব্যাপক করা হয়েছে। কোমলপ্রাণ শিশু—কিশোররা বিভিন্ন ডিভাইস (মোবাইল, ট্যাব) ইত্যাদি ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নিষিদ্ধ গেমস, অনলাইন জুয়া, ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক, পর্ণ সাইটসহ নানা অপকর্মের দিকে ধাবিত হচ্ছে। তৈরি হয়েছে কিশোর গ্যাং যারা ছিনতাই, খুনে জড়িত হয়ে পড়ছে।

তরুণীদের হয়রানি, ইভটিজিং, কিশোর—কিশোরীর অবৈধ সম্পর্ক, নেশা, মাদকসহ নানা কাজে নতুন মাত্রা যুক্ত হচ্ছে। বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও আপোদকালীন সময়ে শিক্ষা কার্যক্রমে অনলাইনের ব্যবহার হতে পারে, তাও সেটি ইউনিভার্সিটি পর্যায়ে। কিন্তু প্রাইমারী ও হাইস্কুলে অনলাইন নির্ভরতা শিক্ষা কার্যক্রমে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সরাসরি মিথস্ক্রিয়ায় ব্যাপক ব্যাঘাত সৃষ্টি করবে। অতিমাত্রায় অনলাইন নির্ভরতায় পড়াশোন ইন্টারঅ্যাক্টিভ হবে না।

বয়ো:বৃদ্ধি ও উচ্চ শিক্ষার সমান্তরালে অনলাইন ব্যবহারের মাত্রা বৃদ্ধি করা যায়। অতএব অনলাইন নির্ভর এই কারিকুলাম অভিভাবকসহ সচেতন মহল কোনভাবেই গ্রহণ করতে পারছেন না। আমরা চাই, শিশু—কিশোরদের অনলাইন নির্ভরতা কমিয়ে পাঠ্যবই নির্ভর আগামী প্রজন্ম। আর দরিদ্র মানুষের সন্তান শিশু—কিশোরদের উন্নত মানের মোবাইল, ল্যাপটপ, কম্পিউটার কেনার সামর্থ্য নেই। বেশীর জনগোষ্ঠী এই অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

রিজভী বলেন,’এই কারিকুলাম একমুখী শিক্ষা হওয়ার ফলে বহুমুখী শিক্ষা হারিয়ে যাবে। যে সরকারের আমলে খাতায় না লিখেও পাশ করিয়ে দেয়া হয়, সেই সরকারের নীতিতে শিক্ষার গুণগত মান কখনোই উন্নত হবে না। আবার এই কারিকুলামের কারণে বুদ্ধিদীপ্ত, উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল প্রজন্ম তৈরি বাধাগ্রস্ত হবে এবং দেশে বেকারত্বের সৃষ্টি হবে।

ফ্যাসিস্ট একদলীয় সরকার বিজ্ঞানবিরোধী, নীতি—আদর্শহীন, অনৈতিক ও মেধাহীন যে শিক্ষা কারিকুলাম চালু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল—বিএনপি ঘৃণাভরে তা প্রত্যাখ্যান করেছে।

বিএনপির এই শীর্ষনেতা বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ জনপ্রশাসনের একটি চিহ্নিত অংশকে ব্যবহার করে দেশে যে দখলদার সরকার এবং ডামি সংসদের জন্ম দেয়া হয়েছে, এটি দেশের জন্য বড় লজ্জার।’ রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষের ৬৩টি রাজনৈতিক দল ‘ডামি নির্বাচন’ বর্জন করে নাগরিক হিসেবে যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছে।

ভোটকেন্দ্রে না গিয়ে জনগণ যে ঐক্যবদ্ধ, এর প্রমাণ তারা দিয়েছে। তবে রাজনৈতিক কর্মী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী কিংবা বিচারক, যিনি বা যারা যে কোনো পরিচয়েই শেখ হাসিনার এই ডামি সরকারকে সমর্থন করছেন, সেইসব মানুষগুলো মূলত: নিজেরা নিজেদের সঙ্গেই আত্মপ্রবঞ্চনা করছেন।

তিনি বলেন, আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম মূলমন্ত্র ছিল, মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। কিন্তু শেখ হাসিনার এই আজব সরকারের গজব থেকে একজন মানুষও কি মুক্ত? গার্মেন্টস কর্মী থেকে নোবেল লরিয়েট, কারোরই কি এখন দেশে মানবিক মর্যাদা রয়েছে? ফলে, রাষ্ট্র ও সমাজে মানুষের অধিকার এবং মর্যাদা প্রতিষ্ঠার স্বার্থে শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ ।

রিজভী বলেন, শেখ হাসিনার অবৈধ ক্ষমতার খায়েশ মেটাতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম কালো দিন ৭ জানুয়ারী। এই ৭ জানুয়ারির একদলীয় নির্বাচনী নাটক মঞ্চস্থ করার জন্য পূর্ব—পরিকল্পিতভাবে দেশে গণতন্ত্রকামী মানুষের উপর চালানো হয় বর্বরতম নির্যাতন।

হিটলার যেভাবে সুপরিকল্পিতভাবে নিজেরাই জার্মান সংসদে আগুন দিয়ে বিরোধী দলের উপর নির্মম দমন নিপীড়ন চালিয়েছিল একইভাবে গত ২৮ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির বাসভবনে সুপরিকল্পিত হামলা চালিয়ে একই কায়দায় বিরোধীদলের উপর দমন নির্যাতন চালিয়ে একটি ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে হিটলারি কায়দায় একদলীয় অভিশপ্ত বাকশাল কায়েম করা হয়েছে।

মসনদ দীর্ঘায়িত করতে লোক দেখানো ‘আমরা ও মামুরা’ নির্বাচনের যে রং—তামাশা করা হয়েছে তার দৃষ্টান্ত পৃথিবীর কোথাও নেই। বাংলাদেশের মর্যাদা এবং সম্মানকে হাস্যকর বানানো হয়েছে। এখন তারা অভিনন্দন ভিক্ষা করে বেড়াচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, ডামি সরকার এখন বলে বেড়াচ্ছে, তাদের নাকি আমেরিকা, ইউরোপ, জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে, অভিনন্দন জানিয়েছে। অথচ দুই দিন আগে জাতিসংঘ বলেছে, তারা তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে যায়নি। পাতানো নির্বাচনকে কন্টকমুক্ত করতে মিথ্যা মামলায় অন্যায়ভাবে কারারুদ্ধ বিরোধী দলের ২৫ হাজার নেতাকর্মীকে দ্রুত মুক্তির আহ্বান জানিয়ে গতকাল বিবৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। আর যুক্তরাষ্ট্র আবারও বলেছে, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। এই নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, বাকশাল ২.০ সরকার কীভাবে পাতানো ভূয়া নির্বাচন করেছে তা সরকারের সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকই বলে দিয়েছেন। তিনি বলেছিলেন বিএনপির ২০ হাজার নেতাকর্মীদের জেলে না রাখলে দেশ অচল হয়ে যেতো। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকতে পারতো না। এই ধরনের নির্বাচন করতে পারতো না। বিএনপি নির্বাচনে আসলে এক রাতেই সবাই মুক্তি পাবে।

ডামি সরকার ভোটাধিকার হরন করে ভোটরঙ্গ করতে একদিকে কারাগারে ধারণক্ষমতার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি বন্দী রেখে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, অন্যদিকে দেশকে মহা কারাগারে পরিণত করেছে। মামলায় জামিন না পেয়ে এই তীব্র হাড়কাঁপানো শীতের মধ্যে লাখো বিএনপিসহ বিরোধীদলীয় নেতাকর্মী মানবেতর অবস্থায় পলাতক জীবন যাপন করছেন। খেয়ে না খেয়ে আদালতের বারান্দায় ধর্না দিচ্ছেন। আওয়ামী নিষ্ঠুর নির্যাতন থেকে এমনকি মৃত মানুষ কিংবা জন্মান্ধও রেহাই পায়নি।

তিনি বলেন, গত ২৮শে অক্টোবর দিবাগত রাতে নোয়াখালীর সেনবাগে পুলিশের উপর কথিত ককটেল হামলার সাজানো ঘটনায় একটি গায়েবি মামলা হয়েছিল। ওই গায়েবি মামলায় কমপক্ষে ৩৫ জন নিরপরাধ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। এরমধ্যে একজন ছিলেন ৫৫ বছর বয়সী আলমগীর হোসেন মিলন। এই ব্যক্তি একজন কোরআনে হাফেজ কিন্তু তিনি জন্মান্ধ।

অবৈধ ক্ষমতার মোহে শেখ হাসিনা এতটাই অন্ধ, একজন জন্মান্ধ ব্যক্তিকেও পুলিশের উপর ককটেল হামলার গায়েবি মামলায় আসামি করা হয়েছে। আপনারা পত্রিকায় দেখেছেন, ৫৫ বছর বয়েসী জন্মান্ধ হাফেজ আলমগীর হোসেন মিলন হাইকোর্টে উপস্থিত হয়ে আগাম জামিন নিয়েছেন। প্রশ্ন হচ্ছে, একজন জন্মান্ধ ব্যক্তির পক্ষে পুলিশের উপর ককটেল বিস্ফোরণ সম্ভব? বিচারকগণ কি এই প্রশ্নের জবাব জানতে চেয়েছেন?

রিজভী আরও বলেন, বন্য বিচার আজ এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, একজন জন্মান্ধ ব্যক্তিও কতিপয় পুলিশের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই পায়নি। অথচ এতো করিৎকর্মা পুলিশ গত একযুগেও আদালতে সাংবাদিক দম্পতি সাগর—রুনি হত্যা মামলার একটি প্রতিবেদন পর্যন্ত দাখিল করতে পারেনি। আপনারা দেখেছেন, আদালতে সাগর—রুনি হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ এ পর্যন্ত ১০৫ দফা পেছানো হয়েছে অথচ গণতন্ত্রকামী মানুষকে রাতের বেলা পর্যন্ত আদালত বসিয়ে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন ফারুক, আবুল খায়ের ভূইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ