দেশে – বিদেশে বরণ্য ব্যাক্তির দৃষ্টি তে শহীদ জিয়া কেমন ছিলেন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ ১:০৮ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
সোমবার, জুন ৮, ২০২৬ ১:০৮ পূর্বাহ্ণ

নজরুল ইসলাম চৌধুরী
ধারাবাহিক পর্ব —- ২.
সম্মানিত পাঠক বৃন্দ, তৎকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব মিঃ কু্র্ট ওয়ান্ড হাইম কেন বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত পরবর্তী সময়ে কেন ভুয়সী প্রশংসা করেছেন – – – –
তার বিস্তারিত দালিলিক বিবরন নিম্নে তুলে ধরছি।
সমযটি খুব সম্বব ১৯৭৭ কি ১৯৭৮ সাল হবে। শীত কালিন সময়তে বার্মার সরকার আরাকানী জনগন কে বাংলাদেশে পুষইন করার অপচেষ্টায় রিপ্ত হয়েছিল। তখনকার সময়ে দেশের চৌখুশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কালবিলম্ব না করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কে স্থলপথ ও জল পথের চৌখুশ স্বসশ্র সামরিক টিম কে সমারিক মহড়ার নামে টেকনাফ সিমান্তে বার্মার জান্তাকে প্রতিহত করার জন্য দ্রুততম সময়ের মাঝে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
তরই প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নিকট জাতিসংঘের তখনকার মহাসচিব মিষ্টার কু্র্ট ওয়ান্ড হাইম টেলিফোনে টেকনাফ সিমান্তে সেনা মহড়ার কারন জানতে চেয়েছিলেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার রহমান জাতিসংঘের মহাসচিব মিঃ কু্র্ট ওয়ান্ড হাইম কে উত্তর দিয়েছিলেন – ” এখন শীত মৌসুম, পিকনিকের( বনভোজন) জন্য শীত মৌসুম হচ্ছে উৎকৃষ্ট সময়। তাই আমার দেশের সেনাবাহিনী শীত মৌসুমের বনভোজন উপভোগ করতে সেখানে গিয়েছে। ডোন্ট ওরি মিষ্টির সেক্রেটারি জেনারেল।
উল্লেখ্য যে তখনকার সময়ে বর্মার সামরিক জান্তার সরকার বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রস্তুতি দেখে পিচু হটতে বাধ্য হয়েছি।
জনতার আওয়াজ/আ আ