ধুতরা পাতা খেয়ে একই পরিবারের ৬ সদস্য হাসপাতালে - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:২৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ধুতরা পাতা খেয়ে একই পরিবারের ৬ সদস্য হাসপাতালে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪ ৩:০১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৪ ৩:০১ অপরাহ্ণ

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
ভেদরগঞ্জে চুলকানি নিরাময়ে ধুতরা পাতার শাক খেয়ে একই পরিবারের ছয় সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রোববার (১৮ দুপুরে উপজেলার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের খাস গাজীপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থরা হলেন ওই এলাকার মৃত নুর হক খানের স্ত্রী বেলাতুন নেসা (৬০), ছেলে লিটন খান (৪০), পুত্রবধূ লাকি বেগম (৩৫), লিটন খানের মেয়ে লামিয়া (৯), সামিয়া (৫) ও ছেলে সায়মন (৭)।
ভুক্তভোগী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, ১মাস ধরে খাস গাজীপুর এলাকার লিটন খান ও তার পরিবারের সদস্যরা চুলকানির সমস্যায় ভুগছিলেন। সমস্যা সমাধানে জয়নাল বেপারী নামের স্থানীয় এক ব্যক্তি লিটনকে ধুতরা পাতার শাক খাওয়ার পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী ধুতরা পাতা সংগ্রহ করে রোববার দুপুরে রান্না করেন লিটন খানের স্ত্রী লাকি বেগম। সেই শাক পরিবারের সদস্যরা ভাতের সঙ্গে খাওয়ার পর একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক তাদের ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে। সেখানে ও অবস্থার পরিবর্তন না ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য সদর হাসপাতালে প্রেরন করে। বর্তমানে তারা সদও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
লিটন খানের চাচা মো. রুস্তম খান বলেন, ওদের পরিবারের সবার চুলকানির সমস্যা ছিল। এক লোকের পরামর্শে লিটন ধুতরা পাতা নিয়ে তার বউয়ের কাছে দিলে সে রান্না করে। সেই শাক ঘরের সবাই খাওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি।
প্রতিবেশী বেবি বেগম বলেন, ওরা সবাই ধুতরা শাক খেয়েছিল। এরপর একে একে অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে ভেদরগঞ্জে নিয়ে এলে সেখানকার ডাক্তার আমাদের সদর হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে।
লিটন খান বলেন, আমার শরীরে অনেক দিন ধরে চুলকানির সমস্যা ছিল। পরে জয়নাল নামের এক লোক আমাকে ধুতরা শাক খাওয়ার পরামর্শ দেয়। শাক খাওয়ার পর দেখি আমার মাথা ঘুরায়। দাঁড়িয়া থাকতে পারি না। আমার মতো আমার মা, স্ত্রী আর বাচ্চাদেও ও একই অবস্থা।এ বিষয়ে সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শারমিন আক্তার বলেন, আমরা সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। এদের মধ্যে একজন বয়স্ক নারী ও এক শিশুর অবস্থা ক্রিটিক্যাল মনে হয়েছে। তাই তাদের ঢাকায় রেফার করার কথা বলা হয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ