নতুন বছরে ইংরেজী পাঠ্যবইয়ে মায়ের ডাক এর কথা উঠে আসায় সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, জানুয়ারি ৪, ২০২৫ ৪:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, জানুয়ারি ৪, ২০২৫ ৪:১৩ অপরাহ্ণ

মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা ,বিশেষ প্রতিনিধি
২০২৫ সালের নতুন বছরে অষ্টম শ্রেণির ইংরেজি পাঠ্যবইয়ে উঠে এসেছে ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের কথা। সংগঠনটি বিগত আওয়ামী শাসনামলে গুম হওয়া পরিবারগুলোর একটি প্ল্যাটফর্ম। অষ্টম শ্রেণির ইংলিশ ফর টুডে বইয়ের ‘অভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকা’ শীর্ষক অধ্যায়ে সংগঠনটির নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, আমরা ‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের মতো নারীদের উদ্যোগ দেখেছি, যাদের পরিবারের সদস্যদের গুম করা হয়েছিল। সংগঠনটি স্বৈরাচারী শাসনামলের বিরুদ্ধাচরণের এবং ন্যায়বিচার চাওয়ার প্রতীক হয়ে উঠেছিল। ‘তারা বিক্ষোভ করেছিল এবং তাদের নিপীড়িত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু থামানো যায়নি তাদের,’ বইয়ের ১৩৯ পৃষ্ঠায় ওই অধ্যায়ে উল্লেখ করা হয়। পাঠ্যপুস্তকের ১৪০ পৃষ্ঠায় ‘মায়ের ডাকে’র বিক্ষোভের একটি ছবিও রয়েছে।
মায়ের ডাকের অন্যতম সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এটা ইতিহাস। এটা আমাদেরও অনুপ্রাণিত করবে। আমার কাছে এটা সর্বোচ্চ স্বীকৃতি। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে যে নিখোঁজদের পরিবারগুলো কীভাবে সংগ্রাম করে গেছে।’
তিনি বলেন, ‘মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করতে হয়, নতুন প্রজন্মই শুধু না সাধারণ মানুষও তা জানতে পারবে।’
পাঠ্যপুস্তকে মায়ের ডাক সংগঠন ও তার ইতিহাস অন্তর্ভূক্ত হওয়ায় ৪ জানুয়ারি শনিবার মায়ের ডাক এর পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান। অভিনন্দন বার্তায় মায়ের ডাক এর সভাপতি হাজেরা খাতুন, সমন্বয়কারী সানজিদা ইসলাম তুলি, আফরোজা ইসলাম আখি এবং মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, ২৪’র গণঅভ্যূত্থানের পর আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, গুম হওয়া সদস্যরা তাদের মায়ের কাছে ফিরে আসবে। দুই একজন ফিরে এলেও এখনও অধিকাংশ কোথায় আছে কেমন আছে আমরা জানি না। আমরা প্রত্যাশা করছি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যেমন আমাদের কষ্টের দিনগুলো পাঠ্যপুস্তকে তুলে ধরেছে ঠিক তেমনি গুম হওয়ায় সদস্যদেরকে খুঁজে বের করে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন। আর যারা নিহত হয়েছেন তাদের তালিকাও প্রকাশ করবেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ