নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০০, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নয়াপল্টনে বিএনপির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২৪ ৫:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ১৩, ২০২৪ ৫:২৭ অপরাহ্ণ

 

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
নিপীড়ক হাসিনা সরকারের অকথ্য নির্বাচন ও পৈশাচিক অত্যাচারে বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপি’র শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও হাজার হাজার নেতাকর্মীরা কারাবন্দী হয়ে এখনও এক দম বন্ধ করা জীবন যাপন করছে। সমস্ত মানবিক মৌলিক অধিকার হরণ করে নিপীড়ণের সর্বোচ্চ মাত্রা প্রয়োগ করা হয়েছে। কারাবন্দী বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও হাজার হাজার নেতাকর্মীরা অসুস্থ অবস্থায় চিকিৎসা না পেয়ে অমানবিক জীবন যাপন করছে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী বিরোধী দলসহ আন্তর্জাতিক অধিকার গ্রুপ এবং গণতান্ত্রিক বিশ^ বাংলাদেশে বিরোধীদের ওপর সরকারী নিপীড়ণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হলেও রক্তপিপাসু ফ্যাসিস্ট সরকার সেগুলোকে ভ্রম্নক্ষেপ করছে না। কয়েক সপ্তাহে কারাহেফাজতে মৃত্যুর সংখ্যা সর্বোচ্চ। হিটলালের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পের দুর্বিষহ উৎপীড়ণের সাথেই কেবল শেখ হাসিনার কারাগারের মিল পাওয়া যায়।
আমি অবিলম্বে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ
ক্রঃ নং নাম পদবী
১. আলতাফ হোসেন চৌধুরী ভাইস চেয়ারম্যান—বিএনপি।
২. শামসুজ্জামান দুদু ভাইস চেয়ারম্যান—বিএনপি।
৩. আব্দুস সালাম পিন্টু ভাইস চেয়ারম্যান—বিএনপি।
৪. আমান উল্লাহ আমান আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি ও সদস্য, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিল।
৫. সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী সদস্য, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিল
৬. হাবিবুর রহমান হাবিব সদস্য চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিল।
৭. আতাউর রহমান ঢালী সদস্য চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিল।
৮. মজিবর রহমান সরোয়ার যুগ্ম মহাসচিব—বিএনপি।
৯. এ্যাড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল যুগ্ম মহাসচিব—বিএনপি।
১০. খায়রুল কবির খোকন যুগ্ম মহাসচিব—বিএনপি।
১১. লায়ন আসলাম চৌধুরী যুগ্ম মহাসচিব—বিএনপি।
১২. জহির উদ্দিন স্বপন আহ্বায়ক, মিডিয়া সেল।
১৩. জনাব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স সাংগঠনিক স¤পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ)—বিএনপি।
১৪. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী প্রচার স¤পাদক—বিএনপি।
১৫. অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন স¤পাদক, স্থানীয় সরকার বিষয়ক—বিএনপি
১৬. আলহাজ্ব সালাহ উদ্দিন আহমেদ স¤পাদক, বানিজ্য বিষয়ক—বিএনপি।
১৭. আলহাজ্ব জি কে গউছ স¤পাদক, সমবায় বিষয়ক—বিএনপি।
১৮. হাবিবুল ইসলাম হাবিব স¤পাদক, প্রকাশনা বিষয়ক—বিএনপি।
১৯. শরিফুল আলম সহ—সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ)
২০. কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম সহ—প্রচার সম্পাদক—বিএনপি।
২১. ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাচ্চু সহ—স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক—বিএনপি।
২২. বেলাল আহমেদ সহ—গ্রাম সরকার বিষয়ক সম্পাদক—বিএনপি।
২৩. কাজী আবুল বাশার সহ— স¤পাদক, সমাজ কল্যান বিষয়ক—বিএনপি।
২৪. আবু সাঈদ চাঁদ সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি—বিএনপি।
২৫. সাইয়েদুল ইসলাম বাবুল সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি—বিএনপি।
২৬. শেখ রবিউল আলম রবি সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি—বিএনপি।
২৭. আবুল হোসেন খান সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি—বিএনপি।
২৮. ফজলুর রহমান খোকন সদস্য, জাতীয় নির্বাহী কমিটি—বিএনপি।
কারাবন্দি জেলা ও মহানগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সিনিয়র নেতৃবৃন্দের তালিকা
ক্রঃ নং নাম পদবী
১. আমিনুল হক সদস্য সচিব, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
২. তানভির আহমেদ রবিন সাবেক ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।
৩. মিয়া নুরুদ্দীন অপু সাবেক এমপি প্রার্থী।
৪. রফিকুল আলম মজনু সদস্য সচিব, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি।
৫. সাইফুল আলম নীরব সাবেক সভাপতি, কেন্দ্রীয় যুবদল।
৬. আব্দুল মোনায়েম মুন্না সাধারণ সম্পাদক—কেন্দ্রীয় যুবদল।
৭. এস এম জাহাঙ্গীর সাবেক সহ—সভাপতি— কেন্দ্রীয় যুবদল ও সাবেক সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদল।
৮. আমির এজাজ খান সভাপতি, খুলনা জেলা বিএনপি।
৯. এ্যাড. দুলাল হোসেন সভাপতি, দিনাজপুর জেলা বিএনপি।
১০. গুলজার হোসেন আহ্বায়ক, জয়পুরহাট জেলা বিএনপি।
১১. শেখ ফরিদ উদ্দিন বাহার আহ্বায়ক, ফেনী জেলা বিএনপি।
১২. মনিরুজ্জামান ফারুক আহ্বায়ক, বরিশাল মহানগর বিএনপি।
১৩. বায়জিদ হোসেন পলাশ সদস্য সচিব, নওগাঁ জেলা বিএনপি।
১৪. মাহমুদুন নবী টিটুল সদস্য সচিব, গাইবান্ধা জেলা বিএনপি।
১৫. লাভলু গাজী সদস্য সচিব, ফিরোজপুর জেলা বিএনপি।
১৬. ইকবাল হোসেন ফরহাদ সাধারণ সম্পাদক, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
১৭. মঞ্জুর এলাহী সদস্য সচিব, নরসিংদী জেলা বিএনপি।
১৮. আবু ইউসুফ টিপু সদস্য সচিব, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি।
১৯. মাহফুজুন্নবী ডন সদস্য সচিব, রংপুর মহানগর—বিএনপি।
২০. খন্দকার মাকসুদুর রহমান মাসুদ সদস্য সচিব, পাবনা জেলা বিএনপি।
২১. সিরাজুল আসলাম সদস্য সচিব, বি—বাড়িয়া জেলা বিএনপি।
২২. এ কে কিবরিয়া স্বপন সদস্য সচিব, ফরিদপুর জেলা বিএনপি।
২৩. হযরত আলী সাধারণ সম্পাদক, শেরপুর জেলা বিএনপি।
২৪. মনিরুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক, নড়াইল জেলা বিএনপি।
২৫. আমজাদ হোসেন সাধারণ সম্পাদক, মেহেরপুর জেলা বিএনপি।
২৬. ইউনুস মৃধা যুগ্ম আহ্বায়ক, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি।
২৭. ইউসুফ বিন জলিল (মির্জা কালু) সহ—সভাপতি, কেন্দ্রীয় যুবদল।
২৮. গোলাম মাওলা শাহীন সাবেক সভাপতি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল ও সহ—সাধারণ সম্পাদক—কেন্দ্রীয় যুবদল।
২৯. আজিজুর রহমান মুসাব্বির সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দল।
৩০. খোরশেদ আলম সোহেল সভাপতি, ঢাকা বিশ^বিদ্যালয় ছাত্রদল।
৩১. পাভেল সিকদার সভাপতি, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল।
অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের জোর আহবান জানাচ্ছি।
সাংবাদিক বন্ধুরা,
বিরোধীদের ওপর বুলডোজার চালানোর পর নজিরবিহীন উদ্ভট ডামী নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে চালু হয়েছে এক ব্যক্তির শাসনব্যবস্থা। গোটা বাংলাদেশ এখন তার হাতে জিম্মি হয়ে গেছে। উত্তর কোরিয়া মডেলের এই নির্বাচনে শেখ হাসিনার ছিলেন নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী। কেউ ডামী, কেউ মনোনীত, কেউ নৌকা, কেউ ভোট জমাতে হায়ারকৃ —সবাই তার প্রার্থী। কোন আসনে কে পাশ কে ফেল সব তার হাতে পূর্বনির্ধারিত। ২৮ পারসেন্ট থেকে ৪১ পারসেন্ট ভোট কাউন্ট করার ফর্মূলাও তার। যদিও ভোটার উপস্থিতি ছিল মাইক্রোস্কোপিক। সুতরাং শেখ হাসিনার এক হাতের মুঠোয় যে সবকিছু তা প্রমাণ করে বিশ্বে নিকৃষ্টতম স্বৈরাচারী একনায়কতন্ত্রের নতুন মডেল হয়ে উঠেছেন তিনি। প্রতারনা, শঠতা, মিথ্যাকে যদি কোনো শিল্প ধরা হয় তাহলে শেখ হাসিনা সেই শিল্পের নিপুন কারিগর। তার এই নব উদ্ভাবিত বাকশালের লেটেস্ট ভার্সনকে গোটা দেশসহ বিশ্ববাসী ছঁুড়ে ফেলেছে। ভোটারবিহীন ডামী নির্বাচন, ফলাফল, ভোটের হার বাড়ানোর ছেলেখেলা— তামাশা—নাটক সবকিছুই নিবিড়ভাবে অবলোকন করেছে সমস্ত পৃথিবীবাসী—মিডিয়া—সরকার—পর্যবেক্ষকগণ। গণতান্ত্রিক বিশ্ব থেকে কঠোর ভাষায় এই ডামী ভোট, ডামী সরকার বাতিল করে নতুন নির্বাচনের দাবী উচ্চারিত ও জোরদার হচ্ছে।
বিশ্বের সমস্ত খ্যাতিমান পত্র পত্রিকা, অনলাইন—ভিজুয়াল মিডিয়া ভোট বর্জনের এই তথাকথিত নির্বাচনের নামে কি কেলেংকারি ঘটিয়েছেন একনায়ক শেখ হাসিনার মাফিয়াচক্র তা প্রামান্য চিত্রসহ তুলে ধরছে প্রায় প্রতিদিন। সেখানেও শেখ হাসিনা যে বাংলাদেশের একদলীয় শাসন থেকে একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন তা তুলে ধরে জনগণকে সামনে কি ভয়ংকর বিপদের মুখে ফেলতে চলেছেন তার আশংকা ব্যক্ত করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন—হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিশ্বের প্রায় সমস্ত মানবাধিকার সংগঠন, অস্ট্রেলিয়ার প্রভাবশালী সিনেটর ডেভিড শুব্রিজসহ বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক—রাজনৈতিক প্রভাবশালীরা শেখ হাসিনার নির্বাচনকে কারচুপিপূর্ন নির্বাচন বাতিল করে বাংলাদেশে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি দিয়ে নতুন করে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানিয়েছে। সুতরাং তামাশার নির্বাচন বাতিল ও রাজবন্দীদের মুক্তির দাবি এখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ধ্বণিত হচ্ছে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে ডামি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঘুমিয়ে থেকে নির্বাচনের নামে যেই সংসদের জন্ম দিয়েছেন, আগামীতে দেশে জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিতামূলক সরকার গঠিত হলে জনগণের কাছে প্রতিটি টাকার হিসাব দিতে হবে। এই ‘ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত ‘ডামি সরকারের এক ডামি মন্ত্রী বলেছেন, ‘দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্ন করা হবে’। এই কথার জবাবে বলতে চাই, যে দেশে ‘ডামি নির্বাচনে’র মাধ্যমে ‘ডামি সরকার’ আর ‘ডামি মন্ত্রী’ থাকে সেই দেশের অনিষ্ট করতে কোনো ষড়যন্ত্রের প্রয়োজন হয়না। জনম্যান্ডেটহীন ‘ডামি সরকার’ই যথেষ্ট দেশকে প্রভুদের পদানত ও ধ্বংস করতে।
একজন মাত্র ব্যক্তির ক্ষমতালিপ্সার কারণে দেশ থেকে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার উধাও হয়ে গেছে। মানুষের ভোটের অধিক লুন্ঠন করা হয়েছে। বাস্তবতা হলো, দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই নয় বিশ্বের মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এখন বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নতুন নির্বাচনের আহবান জানিয়েছে। আপনারা দেখেছেন, গতকাল ছয়টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন যৌথ বিবৃতি দিয়ে গত ৭ জানুয়ারির ‘ডামি নির্বাচন’ নিয়ে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন তুলেছে।
আমাদের বক্তব্য স্পষ্ট, দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী জনগণের কাছে ২০১৪ কিংবা ২০১৮ সালের মতোই অবৈধ এবং অগণতান্ত্রিক। সংবিধান অনুযায়ী জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হতে হবে। কিন্তু বর্তমান সরকার জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হয়নি। বিএনপিসহ গণতন্ত্রের পক্ষের ৬৩টি রাজনৈতিক দল এবং দেশের প্রায় প্রতিটি গণতন্ত্রকামী মানুষ ৭ জানুয়ারির ভুয়া নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে বর্জন করেছে। এরপরও নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি, ভোট ডাকাতি, ২০১৮ সালের মতো রাতের বেলায়ও ব্যালটে সিল মারার মতো অপকর্মের আশ্রয় নিতে হয়েছে। আওয়ামী লীগের ‘ডামি প্রার্থীরা’ই এই অভিযোগ করেছেন। অপ্রিয় হলেও সত্য, ৭ জানুয়ারির ভাগবাটোয়ারার নির্বাচন নতুন প্রজন্মের সামনে ৭৩ সালের নির্বাচনের জাল জালিয়াতি আর সন্ত্রাসের চিত্র তুলে ধরেছে। অপ্রিয় হলেও সত্য, ভোট ডাকাতি মনে হয় আওয়ামী লীগের বংশানুক্রমিক ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
বাংলাদেশের জনগণ, নর্থ কোরিয়া স্টাইলের নির্বাচন আর একদলীয় গণতন্ত্র চায়না। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান যথার্থই বলেছেন, ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় নর্থ কোরিয়া হিসেবে প্রতিষ্ঠা করছে, এর বিরুদ্ধে এখনই শক্তহাতে প্রতিরোধ গড়ে তোলা না গেলে, শুধু দেশের জনগণকেই নয় ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক বিশ্বকেও হয়তো চড়া মূল্য দিতে হতে পারে। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোর চলমান আন্দোলনে জনগণের বিজয় এবং শেখ হাসিনার পরাজয় হয়েছে। গণতন্ত্রের আন্দোলন থামবে না। এর ে¯্রাতধারা আরও বেগবান হয়ে মাফিয়া ফ্যাসিষ্টদের পতন ঘটাবে।
সুপ্রিয় সাংবাদিক বন্ধুরা,
সাধারন জনগণের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে ডামি সরকার অবৈধ ক্ষমতার উষ্ণতা অনুভব করলেও বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলে তীব্র শীতে কাঁপছে কৃষক শ্রমিক দিনমজুর নিম্ন আয়ের মানুষ। মানুষ যেখানে একবেলা খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে সেখানে কিভাবে শীতবস্ত্র জোগাড় করবে? ডামি মন্ত্রীরা কি খেয়ে মন্ত্রিত্ব উদযাপন করবেন পত্রপত্রিকায় সেই তালিকা প্রকাশ করলেও বর্তমানে দুঃখজনক বাস্তবতা হচ্ছে, দেশের অধিকাংশ মানুষ এখন অর্ধাহারে অনাহারে।
আমি বিএনপি নেতাকর্মীসহ বিত্তবানদেরকে অসহায় শীতার্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানাচ্ছি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ