না'গঞ্জে আদালতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দিলেন ৩ পুলিশ কর্মকর্তা - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৪১, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

না’গঞ্জে আদালতে মামুনুল হকের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দিলেন ৩ পুলিশ কর্মকর্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৩ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৩ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ

 

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক
ধর্ষণ মামলায় হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হকের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেছেন পুলিশের আরও তিন কর্মকর্তা। এ নিয়ে মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালতে আজ বুধবার (১৫ জানুয়ারী) দুপুরে এই সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
আদালতে সাক্ষ্য দেয় পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, সোনারগাঁ থানার সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) কর্ন কুমার, শেখ ফরিদ ও মতিউর রহমান।
এর আগে সাকলে সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুল হককে নারায়ণগঞ্জ আদালতে আনা হয়। সাক্ষ্য গ্রহন শেষে কঠোর নিরাপত্তায় তাকে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের সরকারী কৌঁসুলি(পিপি) রকিব উদ্দিন জানান, আজ তিন পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৮ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে। সাক্ষীরা আদালতে জানিয়েছেন মামলার বাদী জান্নাত আরা ঝর্না তাদের বলেছেন, মামুনুল হক ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করেছে। এর আগে মামলার বাদী, পুলিশ কর্মকর্তা, রয়েল রির্সোটের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতা ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী এ কে এম ওমর ফারুক নয়ন বলেন, আজ পুলিশের তিন জন এএসআই সাক্ষ্য দিয়েছেন। এদের মধ্যে প্রথম সাক্ষী ও এএসআই শেখ ফরিদ আদালতে দাড়িয়ে যে সাক্ষ্য দিয়েছেন এবং তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে তিনি যে জবানবন্দি দিয়েছেন তার সাথে কোন মিল নেই। এগুলো সব বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলা।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৩ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও রয়েল রিসোর্টে এক নারীর সঙ্গে অবস্থান করা অবস্থায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মামুনুল হককে ঘেরাও করেন। পরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা এসে রিসোর্টে ভাঙচুর চালিয়ে তাকে নিয়ে যান। ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন তার সঙ্গে থাকা ওই নারী। কিন্তু মামুনুল হকের দাবি, ওই নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ