না'গঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার রায়বাস্তবায়নের দাবীতে স্বজনদের মানববন্ধন - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:০০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

না’গঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলার রায়বাস্তবায়নের দাবীতে স্বজনদের মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৫ ৪:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৫ ৪:২৭ অপরাহ্ণ

 

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের আলোচিত সাত খুন মামলায় উচ্চ আদালতের দেয়া রায় বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন নিহতদের স্বজনরা।
শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১ টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিগঞ্জের মৌচাক এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় নিহত প্যানের মেয়র ও কাউন্সিলর নজরুল ইসলামের স্ত্রী সাবেক কাউন্সিলর সেলিনা ইসলাম বিউটি বলেন, আমার স্বামীর সাথে যে সাতজনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে তা আপনারা সবাই দেখেছেন, সারা পৃথিবীর মানুষ দেখেছে। সকলে এই হত্যার জন্য কান্না করেছে। সবাই চায় এই বিচারের রায় সম্পন্ন হবে।
তিনি আরো বলেন, এখনও রায় কেন ঝুঁলে আছে। আমাদের দাবী আইন ও বিচার বিভাগের প্রতি ও আইন উপদেষ্টার প্রতি, এই সাতটি পরিবারের দিকে তাকিয়ে এই রায় কার্যকর করুন। আমাদের সাতটি পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা সরকারের সহযোগিতা চাই। সার্বিক সহযোগীতা করে আমাদের মামলাটা যেন দ্রæত নিষ্পত্তি হয়। আমরা যেন বিচার পাওয়ার সান্ত¡না নিয়ে মরতে পারি।
নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী সামছুন নাহার নুপুর বলেন, স্বামী হত্যার সময় আমার মেয়ে গর্ভে ছিল। এখন আমার মেয়ের বয়স ১১। অথচ এখন পর্যন্ত মেয়ে তার বাবা হত্যার বিচার পায়নি। উচ্চ আদালতে মামলা ঝুলে রয়েছে। আমরা প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন করছি যে অন্তত আমাদের বিচারটা শেষ করে দেওয়া হোক। আমরা অসহায়।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, সাতখুনে নিহত নাসিক প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের ভাই নূর মোহাম্মদ, আব্দুস সালাম, নিহত তাজুল ইসলামের বাবা আবুল খায়ের, তার ভাই রাজু আহমেদ, নিহত গাড়ী চলক জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নূপুরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে নিহত তৎকালীন প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা এবং আরেক নিহত আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ মোট সাতজন গুম হন। গুম হওয়ার তিনদিন পর নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে নিখোঁজদের মৃতদের ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় ভিকটিম প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও ভিকটিম চন্দন কুমার সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল দুটি হত্যা মামলা করেন। যার বিচারিক প্রক্রিয়া বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে চলমান।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ