নারায়ণগঞ্জে সব হত্যাকান্ডের তদন্ত করে বিচার করুন : গিয়াসউদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৪ ৯:০৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৪ ৯:০৫ অপরাহ্ণ

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক
ছাত্র জনতার উপর গুলি চালিয়ে হত্যার দায়ে শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের বিচারের দাবিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগষ্ট) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শিমরাইল মোড়ে ওই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন নেতৃত্বে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হিরাজিল, ১০ তলার মোড়, মৌচাক, সানারপাড়, সাইনবোর্ড হয়ে পাসপোর্ট অফিসে এসে অবস্থান করেন নেতৃবৃন্দ। বিক্ষোভ মিছিলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা,ফতুল্লা থানা বিএনপিসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের শ্রমিকদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন পয়েন্ট গুলো থেকে যোগদান করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন- এনসিসি ২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, ফতুল্লা থানা বিএনপির সাদারণ সম্পাদব এড. বারী ভুইয়া, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, জেলা ছাত্র দলের সভাপতি নাহিদসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিক্ষোভ পূর্ব সভায় মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন বলেন, নারায়ণগঞ্জে ত্বকী হত্যাকান্ডসহ অনেক হত্যাকান্ড হয়েছে, যার আজও বিচার হয় নাই। এই সন্ত্রাসীরা এগুলো করেছে। আমি বর্তমান সরকারের কাছে বলতে চাই, নারায়ণগঞ্জে যতগুলো হত্যাকান্ড হয়েছে সেগুলোর তদন্ত করে আপনারা ন্যায় বিচার করুন। আমরা আইনকে হাতে তুলে নিতে চাই না। আমরা কাউকে খুনি বলতে চাই না। এই স্বৈরাচার সরকার যখন ক্ষমতায় ছিলো, তখনই তদন্ত হয়েছে। তখনই চার্জশীট তৈরি হয়েছে। আমরা তা প্রকাশ করতে বলি আজকে। সেই সরকারের সময় যেই তদন্ত হয়েছে, সেই রিপোর্টের মাধ্যমে আমরা বিচার চাই। আমরা নতুন দাবি দেই না, কাউকে আমরা অভিযুক্ত করতে চাই না। তাদের সরকার যাদের অভিযুক্ত পেয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে আজ আমরা বিচার চাই।
মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, এই দেশে যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে, সেই সকল নির্যাতিত ব্যক্তিরা অন্যায়কারীর বিচার চায়। আমরা এই সরকারকে সহযোগীতা করতে চাই। দেশ নায়ক তারেক রহমান বলেছেন, অর্ন্তর্বতীকালীন সরকার ন্যায় ভিত্তিক যে কাজ কর্ম করবে তাতে আমাদের সমর্থন থাকবে। আমরা আইন হাতে তুলে নিবো না। কিন্তু অপরাধীরা যেখানে অপরাধ করেছে, এর যাতে উপযুক্ত বিচার হয় এর জন্য আপনারা ব্যবস্থা নিবেন।
আওয়ামী লীগ সরকার যখন একটি অবৈধ নির্বাচনের ঘোষণা দেয়, আমাদের কথা ছিলো; কেউ এই অবৈধ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। অনেকে মেয়র পদে, অনেকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে জনপ্রতিনিধি হয়েছে। তারা এই বিজয়কে পুঁজি করে, তারাও আজকে আনন্দ উৎসব করতেছে। তারা নির্লজ্জ বেহায়া। তাদেরকে প্রত্যাখ্যান করবেন। আমার দলের কোন নেতাকর্মী যদি মেয়র, চেয়ারম্যান, মেম্বারদের সাথে যোগসাজস করেন, তাহলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, এই ফতুল্লায় যারা আমার নেতাকর্মীর উপর অস্ত্র উচিয়ে হামলা করেছে, শামীম ওসমানের দোসর হিসেবে সেখানে কাজ করেছে, উপজেলা চেয়ারম্যানের পদ পেয়েছে; তারা আজ আমাদের নেতাকর্মীদের ডাকে। তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। আমার দলের যে নেতাকর্মীরা সেখানে যাবে, তাদের দল থেকে বহিস্কার করা হবে। গতকাল কি বলেছে আর আজকে কি বলে, আমাদের কাছে সব ডকুমেন্ট আছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ