নিজের বিরুদ্ধে ছড়ানো মিথ্যা প্রোপাগান্ডার সুষ্ঠু বিচার চান ছাত্রদল নেতা রেজা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:০০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নিজের বিরুদ্ধে ছড়ানো মিথ্যা প্রোপাগান্ডার সুষ্ঠু বিচার চান ছাত্রদল নেতা রেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৫ ৯:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ২৩, ২০২৫ ৯:২৭ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
নাসরিন ইসলাম (শিখা) নামে এক মেয়ে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে সংবাদ সম্মেলন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন সরকারি বাংলা কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সদস্য সচিব ফয়সাল রেজা। তিনি বলেছেন, গত ২১শে এপ্রিল তারিখে নাসরিন ইসলাম (শিখা) আমার নামে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছেন। যা মিডিয়াসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে আমি মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হই এবং দলীয়ভাবে আমার রাজনৈতিক সম্মান ক্ষুণ্ন হয়। যার ফলস্বরূপ, দল থেকে আমাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, আমি সুষ্ঠু বিচার ও তদন্তের দ্বারা ন্যায় বিচারের প্রত্যাশা করছি।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি হলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ফায়সাল রেজা বলেন, গত বছর ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে নাসরিন ইসলাম (শিখা) এর সাথে আমার পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে তাঁর সাথে আমার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তৈরি হয়। প্রায় ৪ মাস পরে জানতে পারি সে বিবাহিত। নাসরিন ইসলাম (শিখা) এর স্বামী ও দুটি সন্তান রয়েছে। যা সে আমাকে গত চার মাসে কখনোই বলেনি। আরও জানতে পারি যে, মহিদুল নামে একজন ব্যক্তির সাথে তাঁর ইতিমধ্যে সম্পর্ক ছিল এবং পরবর্তীতে তাঁদের বিয়েও হয়েছিলো। আরও জানতে পারি সে বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে তাঁদেরকে বিয়ে করে, কিছুদিন পর তাঁদের হতে ডিভোর্সের মাধ্যমে অর্থ আদায় করে থাকেন। তদ্রূপ আমার সাথে ঘটতে যাচ্ছে যাহা আমি বুঝতে পারি। তাঁরই প্রেক্ষিতে আমি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার মাধ্যমে তাঁর থেকে দূরে সরে যাওয়ার চেষ্টা করি। তখনই সে আমাকে বিভিন্ন উপায়ে হেনস্তা করার চেষ্টা করে এবং আওয়ামী লীগ, পুলিশ ও ডিবি পুলিশের এর মাধ্যমে আমাকে টাকা চেয়ে হুমকি দিয়ে থাকেন।

তিনি বলেন, আমি নিরুপায় হয়ে টাকার বিনিময়, সামাজিক হেনস্তা হতে রক্ষা পেতে ৭ লক্ষ টাকার বিনিময় সমঝোতা করতে বাধ্য হই। যাহার প্রমাণ স্বরূপ ১০০ (একশত) টাকার ০৩ (তিন) টি স্টাম্পে অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে ৩০/১১/২০২৩ তারিখে সমঝোতা করি এবং সমঝোতার ভিত্তিতে আমি নাসরিন ইসলাম (শিখা)-কে ১২/১২/২০২৩ তারিখে চেক প্রদান করতে ঢাকা পল্টনের ইসলাম টাওয়ারের একটি অফিসে যাওয়া মাত্রই সেখানে আমাকে আটক করা হয় এবং সেখানে থাকা আওয়ামী লীগের কিছু ব্যক্তি ও প্রশাসনের কিছু ব্যক্তি পরিচয়ে আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে এবং আমার কাছে থাকা চেকটি ছিনিয়ে নেয় ও উক্ত স্থানে জোরপূর্বক নাসরিন ইসলাম (শিখা) এর সাথে আমাকে বিয়ে দেয়। উক্ত সময় তারা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ভিডিও ধারণ করে রাখে। পরবর্তীতে কিছু দিন আমি আর তার সাথে যোগাযোগ করিনি। যার কারণে নাসরিন ইসলাম (শিখা) আমার এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করে আমার পরিবারকে মামলার হুমকি প্রদান করে। যার ফলস্বরূপ সামাজিক সম্মানের ভয়ে তার সাথে আবারও সমঝোতা করতে বাধ্য হই এবং তার সাথে পুনরায় যোগাযোগ করি তার কিছু দিন পর থেকে নাসরিন ইসলাম (শিখা) টাকার জন্য আমাকে চাপ প্রয়োগ করে এবং পাশাপাশি সে অসামাজিক কার্যক্রম চালিয়ে যায়, যা আমি বুঝতে পারি এবং এরপর আমি তাকে কোর্টের মাধ্যমে ডিভোর্স প্রদান করতে বাধ্য হই।

সংবাদ সম্মেলনে রেজা বলেন, নাসরিন ইসলাম (শিখা) একজন সেনা কর্মকর্তার কাছে আমার বিরুদ্ধে কিছু মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে উপস্থিত হয়। পরবর্তীতে আমি তার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আমাকে নাসরিন ইসলাম (শিখা) কে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার কথা এবং বিষয়টি পারিবারিক ভাবে সমঝোতা করার জন্য আমার ডিভোর্সটি উঠিয়ে নিতে বলেন এবং আমি সেনা কর্মকর্তার কথাটি রাখি এবং সেই সেনা কর্মকর্তা সমস্যা সমাধানের জন্য ১ (এক) মাস সময় নেন। পরবর্তীতে সমঝোতা না হওয়ার কারণে সেনা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ঢাকার পল্লবী কাজী অফিসে পারিবারিকভাবে ১০ লক্ষ টাকার বিনিময় সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ