নির্বাচনে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে লড়বেন মাছ ব্যবসায়ী - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:৩৯, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নির্বাচনে কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে লড়বেন মাছ ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, ডিসেম্বর ১২, ২০২৩ ১০:৩৭ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এবার বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর সঙ্গে লড়বেন মাছ ব্যবসায়ী আব্দুল জলিল। জানা যায়, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে জাকের পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন সখীপুর উপজেলা জাকের পার্টির মৎস্যজীবী ফ্রন্টের সভাপতি আব্দুল জলিল। পেশায় তিনি একজন মাছ বিক্রেতা এবং সখীপুর উপজেলার বৈলারপুর গ্রামের মৃত বারেক মিয়ার ছেলে।

সখীপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সাতটি রাজনৈতিক দলের সাতজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। যাচাই-বাছায়ে সব প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়েছে। প্রার্থীরা হচ্ছেন- বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), অনুপম শাজাহান জয় (আওয়ামী লীগ), রেজাউল করিম (জাতীয় পার্টি), পারুল আক্তার (তৃণমূল-বিএনপি), আবুল হাশেম (বিকল্পধারা বাংলাদেশ), আব্দুল জলিল (জাকের পার্টি) ও মোস্তফা কামাল (বাংলাদেশ কংগ্রেস)।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, বিধি মোতাবেক একজন সংসদ সদস্য প্রার্থী নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। আব্দুল জলিল নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হলফনামায় বার্ষিক আয় উল্লেখ করেছেন ২ লাখ ৪০ হাজার। অনুরূপ টাকা ব্যয়ের খাতেও উল্লেখ করেছেন। ফলে তার হাতে কোনো নগদ টাকা নেই। পেশা হিসেবে উল্লেখ করেছেন মাছ ব্যবসা।

দুই উপজেলায় প্রচার চালাতে কমপক্ষে তার ১০ লাখ টাকার প্রয়োজন। এই মুহূর্তে তার হাতে নগদ কোনো টাকা নেই। ব্যাংকে আছে মাত্র দুই হাজার টাকা। তাই তিনি নির্বাচনের ন্যূনতম খরচ চালানো নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন।

কীভাবে নির্বাচনের খরচ চালাবেন জানতে চাইলে আব্দুল জলিল বলেন, আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ধার করব। আমার একটি পুকুর রয়েছে। সেই পুকুরের মাছ বিক্রি করলে ৫০ হাজার টাকা পাওয়া যাবে। এই আড়াই লাখ টাকা দিয়েই নির্বাচন চালাতে হবে। এই অল্প টাকায় নির্বাচন শেষ করা তার জন্য খুবই কষ্টের হবে। এজন্য তিনি দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। দল থেকে কোনো আর্থিক সহযোগিতা না পাওয়ার কথা বলেন তিনি।

আব্দুল জলিল আরও বলেন, আমি পড়াশোনা করিনি। শুধু নাম দস্তখত করতে পারি। আমি লোকমুখে শুনেছি অনেক অশিক্ষিত লোকও জনগণের ভোটে এমপি হয়েছে। জনগণ ভোট দিলে এমপি হওয়া অসম্ভব কিছু না। সব আল্লাহর ইচ্ছা। আমি এমপি নির্বাচিত হলে আমি কোনো টাকা-পয়সা খাব না। শুধু মানুষের কল্যাণে কাজ করব।

নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে তিনি বলেন, অনেকে ৫০ বছর রাজনীতি করেও দলীয় মনোনয়ন পাননি। আর আমি চাওয়ার আগেই পেয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে আমি অবশ্যই বিপুল ভোটে নির্বাচিত হব।

স্থানীয়রা জানান, জলিলের বাবা একজন শ্রমজীবী মানুষ ছিলেন। তার মা মানুষের বাড়িতে কাজ করেছেন সারা জীবন। আব্দুল জলিল মাছ বিক্রি করে সংসার চালান। তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি আমাদের গ্রামের জন্য গৌরব।

সখীপুর উপজেলা জাকের পার্টির সভাপতি লুৎফর রহমান বলেন, ২০০৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আমি এ দলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। এরপর আর কোনো কমিটি হয়নি। সখীপুরে এখন জাকের পার্টি অনেকটা নিষ্ক্রিয়। দলের প্রার্থী আব্দুল জলিলকে আমি চিনি না। কখনো দেখেছি বলে মনে হয় না। আমি যেহেতু দলে নিষ্ক্রিয় সেহেতু এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ