নির্বাচন বর্জনের প্রচারণাও গণতান্ত্রিক অধিকার, আটক অনৈতিক
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২৩ ৭:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, ডিসেম্বর ২৯, ২০২৩ ৭:২৫ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
নির্বাচন বর্জনের প্রচারণা থেকে যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে আটক করে নিয়ে যায়, সেটি অনৈতিক বলে জানিয়েছেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, ভোটে অংশ নেওয়ার অধিকার যেমন রয়েছে, ভোট বর্জনের অধিকারও মানুষের রয়েছে। সুতরাং আইন অনুযায়ী দুই পক্ষকেই সমান সুযোগ দিতে হবে।
শুক্রবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কার্যালয়ে মার্কিন নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ড. কামাল উদ্দিন।
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, কাউকে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা দেওয়া যাবে না, এটা তাদের অধিকার। একইসঙ্গে নির্বাচন বর্জনের বিষয়েও তারা প্রচারণা করতে পারবে, এটাও তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। সুতরাং কেউ যদি নির্বাচন বর্জনের প্রচারণা করতে যায়, তবে তাকে আটক করাটা মোটেও ঠিক নয়।
তিনি বলেন, যেকোনো নির্বাচনে পক্ষ-বিপক্ষ মতামত থাকতে পারে। তবে ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে সাধারণ মানুষের ওপর আক্রমণ করা যাবে না। বিশেষত আমরা অতীতের নির্বাচনে এবং নির্বাচন পরবর্তী নানা সহিংসতা দেখেছি। পর্যবেক্ষক সংস্থার সঙ্গে ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে যে সহিংসতা হয়েছে, সেটা যেন এ নির্বাচনে না হয়, সে বিষয়েও কথা হয়েছে।
ড. কামাল উদ্দিন বলেন, নির্বাচনে আমরা দেখছি ৪২টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে ২৯টি রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছে। এটা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যে কেউ বা কোনো দল যদি নির্বাচনে অংশ নিতে না চায়, এটা একান্ত তাদের ব্যাপার। এতে কারও কোনো কিছু বলার নেই।
জনতার আওয়াজ/আ আ