নির্বাচন হলে দেশে নিষেধাজ্ঞা আসবে : ১২ দলীয় জোট - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৫৮, রবিবার, ১৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নির্বাচন হলে দেশে নিষেধাজ্ঞা আসবে : ১২ দলীয় জোট

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৩, ২০২৪ ২:৪৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জানুয়ারি ৩, ২০২৪ ২:৪৫ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচন হয়ে গেলে বিশ্বের কালো তালিকায় স্থান পাবে বাংলাদেশ। এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দেশে বিবিধ নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতার। বুধবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব, পল্টন ও বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগ ও পদযাত্রা তারা এসব কথা বলেন।

জোট নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বিশ্বমানের স্বৈরাচার। এই সরকারের অধীনে শুধু নির্বাচন নয়। দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং জনগণও নিরাপদ নয়। তাই জনগণ একদলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনকে বর্জন করবে।

জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য নওয়াব আলী খান আব্বাস বলেন, ৭ তারিখের নির্বাচনে যারা এই অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারকে সহযোগিতা করবে তাদেরও একদিন বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তিনি দেশবাসী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবাইকে ভোট বর্জন করার আহ্বান জানান। বলেন, আপনারা আওয়ামী লীগের নির্বাচনী নাটকের দর্শক হবেন না। ভোট কেন্দ্রে যাবেন না।

১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি রাশেদ প্রধান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার মূলত ১৫ আগস্টের প্রতিশোধ নিতে গিয়ে গত ১৫ বছর ধরে দেশে জুলুম-অত্যাচার ও দুঃশাসন কায়েম করেছে। যার প্রথম আঘাত পিলখানায় নির্মম সেনা হত্যাযজ্ঞ। তারপর সংবিধানকে টার্গেট করে দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা ড. গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম বলেন, খালেদা জিয়াসহ সকল নেতাকর্মীদের মুক্ত করতে হবে। দেশের গণতন্ত্র ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য বিএনপি, ১২ দলীয় জোট গণ-আন্দোলনের মাধ্যমে এই সরকারকে বিদায় করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুল আহাদ, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন মো. ফারুক রহমান, বাংলাদেশ এলডিপির অতিরিক্ত যুগ্ম মহাসচিব এম এ বাশার, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শামসুদ্দীন পারভেজ, ইসলামি ঐক্যজোটের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আমিন।

উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির( কাজী জাফর) কাজী মো. নজরুল, বাংলাদেশ এলডিপির মো. ফরিদ উদ্দিন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের আবদুল মালেক চৌধুরী, মুফতী আতাউর রহমান খান, মাওলানা এম এ কাসেম ইসলামাবাদী, জাগপার অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, মনোয়ার হোসেন, মো. সাজু মিয়া।

বাংলাদেশ জাতীয় দলের বেলায়েত হোসেন শামীম, বাংলাদেশ লেবার পার্টির শরিফুল ইসলাম, মো. লিটন খান রাজু, হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মুহাম্মদ আবু হানিফ, এরশাদুর রহমান, ইসরাফিল হোসেন, বিল্লাল হোসেন, মো. জোবায়ের মাহমুদ, জহির হোসেন, ইমরান হোসেন, যুব জাগপার নজরুল ইসলাম বাবলু, জনি নন্দী, যুব সংহতির নিজাম উদ্দিন সরকার, জাগপা ছাত্রলীগের আবদুর রহমান ফারুকী, ছাত্র সমাজের কাজী ফয়েজ আহমেদ, মেহেদী হাসান, মো. ফাহিম হোসেন, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের নিজাম উদ্দিন আল আদনান, হাফেজ খালেদ মাহমুদ প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ