নীলফামারীতে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, রাতে আরও বাড়তে পারে - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১০:২৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নীলফামারীতে তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি, রাতে আরও বাড়তে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, মে ৩০, ২০২৩ ১১:৫৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, মে ৩০, ২০২৩ ১১:৫৬ অপরাহ্ণ

 

নীলফামারীতে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছে। মঙ্গলবার সারাদিনে রোদের সর্বচ্চো তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩৩ শতাংশ থেকে ৩৭ শতাংশ। ফলে জেলার হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে পানিবাহিত রোগের রোগীর সংখ্যা।

হাসপাতাল ঘুরে, জেলার জলঢাকা, ডিমলা ও সদর সরকারি আধুনিক হাসপাতালগুলো ঘুরে দেখা গেছে আউটডোরে ডায়রিয়া, সর্দিজ্বর, আমাশয়, জ্বরসহ নানান পানিবাহিত রোগীর ভিড়। তেমনি হাসপাতালগুলোতে ইনডোড়ে বাড়ছে রোগীর সংখ্যাও।

মাঠে দেখা গেছে, কৃষক, দিনমজুর ও রিক্সা চালকরা বড় গাছ, বড় দালানের ছাঁয়ায় বিশ্রাম নিচ্ছেন। মাঠে যেন সকলের ক্লান্তির শেষ নেই, কোথাও গিয়ে একটু বিশ্রাম নেওয়া বা কোথাও রোদের তাপ থেকে বাঁচতে লুকিয়ে পড়া এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।

কালীগঞ্জ বাজার এলাকার ভ্যান চালাক শহীদুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ‘যে গরম শুরু হয়েছে কোথাও গিয়ে শান্তি পাওয়া যাচ্ছে না। দুপুরে খাইতে গিয়ে একটু ফ্যানের বাতাসে বসলাম সেখানেও ঠান্ডা নেই। গরমে গাঁ পুড়ে যাচ্ছে।’

ডাঙ্গাহাট এলাকার মুদি ব্যবসায়ী আইনুল হক বলেন, ‘যে গরম শুরু হয়েছে সহ্যের বাহিরে। গরম তো কমছে না। বাড়িতে দুইজনের জ্বর শুরু হয়েছে। ওষুধ খেয়ে কমছে না জ্বর।’

জলঢাকা হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগী আলেমা বেগম বলেন, ‘দুইদিন ধরে পাতলা পায়খানা শুরু হয়েছে এখানে এসে ভর্তি হয়েছি। দুইদিন ধরে ওষুধ খাচ্ছি কিন্তু কমছে না।’

ডিমলা আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবাস চন্দ্র সরকার জানান, দিনের সর্বচ্চো তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাতের বেশিরভাগ সময়ে গরম হতে পারে। কারণ দিনে রোদের যে রশ্মি ভূপৃষ্টে পতিত হয়েছে তার ফলে রাতের বেশিভাগ সময়ে গরম হতে পারে। তবে রাতের শেষাংশে তাপমাত্রা ও গরম কমে যাবে।

হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি বলেন, ‘অতিরিক্ত গরমের ফলে প্রতিদিনে আউটডোরে রোগী প্রায় এক হাজারের মতো আসতেছে। প্রতিদিনে ইনডোরে ৩০০ থেকে ৩৫০ জন রোগী ভর্তি থাকতেছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ রোগী পাতলা পায়খানা, আমাশয়, ডায়রিয়া ও জ্বরসহ নানা বিধি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ