নেতাকর্মীদের ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে চিকিৎসা দেওয়া ‘প্রহসন’: বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বুধবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩ ১:১৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বুধবার, ডিসেম্বর ২৭, ২০২৩ ১:১৮ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
অবৈধভাবে কারাবন্দি নেতাকর্মীদের ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসার নামে প্রহসন করা হচ্ছে। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিয়ষক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
তিনি বলেন, চিকিৎসা সুবিধা সাংবিধানিক অধিকার। অথচ বিনাদোষে আটক অসংখ্য রাজবন্দিরা আজ এ ধরনের ন্যূনতম মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত এই সরকারের শোষণে। হবিগঞ্জ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক জালাল আহমেদ দীর্ঘ তিন মাস কারাগারে বন্দি অবস্থায় হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে পাঠানো হয়, কিন্তু তাকে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে অত্যন্ত অমানবিকভাবে রাখা হয়।
তিনি আরও বলেন, ইতোপূর্বে যশোর যুবদল নেতা ও শিক্ষক আমানুর রহমান মাধু, নরসিংদী শহর যুবদলের আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান চৌধুরী ওরফে সুমন চৌধুরীকেও হৃদরোগে আক্রান্ত অবস্থায় জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে মেঝেতে রেখে চিকিৎসার নামে প্রহসন করা হয়। পূর্ণ বিশ্রাম যেখানে একজন হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসার অন্যতম অংশ সেখানে এরকম রোগীদের ডান্ডাবেড়ি পরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে হাঁটিয়ে মেঝেতে রেখে চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসা মধ্যযুগীয় বর্বরতা অথবা নাৎসী বাহিনীর বর্বরতাকেও হার মানায়।
বিবৃতিতে ডা. রফিকুল বলেন, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হৃদরোগসহ অন্যান্য গুরুতর রোগে আক্রান্ত এসব রাজবন্দিদের চিকিৎসা পূর্ণাঙ্গভাবে না করে পুনরায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়। ফলে তাদের একই ধরণের সমস্যা নিয়ে পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি হতে হয় অথবা মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়াতে হয়। এ ধরণের অমানবিক, পাশবিক বর্বরতার ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা জানান তিনি। একই সাথে অবিলম্বে সকল রাজবন্দিদের মুক্তি ও অসুস্থ কারাবন্দিদের সুচিকিৎসার দাবিও করেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ