নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় স্কুলছাত্র খুন, আসামির স্বীকারোক্তি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:৫৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নোয়াখালীতে তুচ্ছ ঘটনায় স্কুলছাত্র খুন, আসামির স্বীকারোক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, মার্চ ২৯, ২০২৫ ৪:৩৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, মার্চ ২৯, ২০২৫ ৪:৩৮ অপরাহ্ণ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সদরের দাদপুর ইউনিয়নে স্কুলছাত্র আবদুল হামিদ রায়হান হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আসামি মারুফ হোসেনকে (২২) গ্রেপ্তার করার পর নিজের দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে সুধারাম মডেল থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ্ আল ফারুক এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

নিহত রায়হান একই গ্রামের হাজী বাড়ির কৃষক আলমগীরের ছেলে এবং স্থানীয় খলিফারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল। অপরদিকে, গ্রেপ্তার মারুফ (২৫) একই বাড়ির মো.সেলিমের ছেলে।

পুলিশ সুপার বলেন, গত ২৫ মার্চ রাত ৮টার দিকে তারাবির নামাজ পড়ার জন্য দাদপুর ইউনিয়নের হুগলি গ্রামের নিজের বাড়ি থেকে বের হয় রায়হান। পরবর্তীতে রাতে আর সে বাড়ি ফিরে আসেনি। পরদিন বিষয়টি নিয়ে রায়হানের ভাই হারুন অর রশিদ শান্ত তার ভাইয়ের সন্ধান চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে সেখানে একটা মোবাইল নাম্বার দেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মারুফ নিজের পরিচয় গোপন রেখে শান্তর নাম্বারে কল দিয়ে ১৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং টাকা নিয়ে চৌমুহনী রেল লাইনে যেতে বলে।

পরবর্তীতে ওই নাম্বারের সূত্র ধরে আসামি মারুফকে আটকের পর তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে বাড়ির পাশে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে রায়হানের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সুপার আরো জানান, ঘটনার দিন রাতে রায়হান ও মারুফ পার্শ্ববর্তী একটি জায়গায় গিয়ে নারিকেল খায়। পরবর্তীতে ওই স্থান থেকে ফিরে আসার সময় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে প্রথমে তাদের দুইজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর এক পর্যায়ে মারুফ তার হাতে থাকা ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে রায়হানের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। পরে গভীর রাতে মারুফ একা রায়হানের মৃতদেহ নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি সেপটিপ ট্যাংকের মধ্যে রেখে দেয়।

এ ঘটনায় নিহত রায়হানের বাবা আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে মারুফের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন ও সুধারাম মডেল থানার অফিসার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ