নড়িয়ায় আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১৫ - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:৪৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নড়িয়ায় আ.লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৭, ২০২২ ২:০৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৭, ২০২২ ২:০৬ অপরাহ্ণ

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ॥ শরীয়তপুরের নড়িয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগের দু’ গ্রুপের সংঘর্ষ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া দেড় শতাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। এক ঘণ্টা চেষ্টা করে ৪০ রাউন্ড শটগানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। বুধবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় নড়িয়া বাজারের গেলালাম মাওলা বড় ব্রীজ এলাকায় এ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে দুই পুলিশ সদস্যসহ দুই গ্রুপের অন্তত ১৫ জন আহত হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং ওয়াার্ডে (নড়িয়া উপজেলা) সদস্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেন, নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী সহ-সভাপতি ও মোক্তারেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বাদশা শেখের জামাতা নড়িয়া সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক মামুন মোস্তফা ও বাদশা সেখ এর ছেলে নড়িয়া পৌরসভা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইউনুস শেখ। নির্বাচনে উভয় প্রার্থী পরাজিত হয়। এরপর থেকেই দু’গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ চলে আসছে। এরই জের ধরে বুধবার বিকেলে ভিপি মোস্তফা দলবল নিয়ে নড়িয়াা বাজারে ইউনুস শেখ গ্রুপের ওপর হামলা করতে আসলে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় দু’গ্রুপের লোকজন দেড় শতাধিক হাত বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। বোমার বিস্ফোরণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নড়িয়াা শহরে। হামলায় ২ পুলিশসহ ১৫ জন আহত হয়েছে। ১ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে ৪০ রাউন্ড শটগানের গুলি ব্যবহার করে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা হয়েছে।
এব্যাপারে ভিপি মামুন মোস্তফা বলেন, আমার কর্মীদের ওপর বাদশা শেখের লোকজন হামলা করে ৮ কর্মীকে আহত করেছে।
এব্যাপারে নড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাদশা শেখ বলেন, সংঘর্ষের সময় আমি ও আমার ছেলে ইউনুছ শেখ মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। আমার চাচাতো ভাইর ছেলে মিলনকে মারধর করেছে। এর জের ধরে কিছু লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এব্যাপারে নড়িয়া থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, দু’পক্ষের হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪০ রাউন্ড গুলি ছুঁড়তে হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আছে। নড়িয়ায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা হয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ