নয়াপল্টনে মকবুলের পরিবারকে দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মামলার চেষ্টায় সরকার - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ১১:৩৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নয়াপল্টনে মকবুলের পরিবারকে দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে মামলার চেষ্টায় সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ১২, ২০২২ ৩:১২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, ডিসেম্বর ১২, ২০২২ ৩:১৮ অপরাহ্ণ

 

নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত মকবুল আহমেদের পরিবারকে দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে সরকার মামলার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

সোমবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, মকবুল ছিলেন খেটে খাওয়া মানুষ। তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এখন ওদের (মকবুলের পরিবার) বাড়িতে থাকাও নিরাপদ না। ওদের দিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে একটা হত্যা মামলা রুজু করানোর চেষ্টা চলছে।

এর আগে ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপি সংঘর্ষে নিহত হন মকবুল। তিনি মিরপুর পল্লবী থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। এরই মধ্যে মকবুলের পরিবারকে এক লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দিয়েছে বিএনপি। তার স্ত্রী মেরিনা আক্তার বর্ষার হাতে এই টাকা তুলে দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, আমরা মকবুলের পরিবারের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার জীবনদান আমাদের চলার পথে অনুপ্রেরণা ও শক্তি যোগাবে। আমরা আজ যা অনুদান দিলাম, এটা যথেষ্ট না। বরং যে গণতন্ত্রের জন্য মকবুল জীবন দিলেন, সেই গণতন্ত্র যদি প্রতিষ্ঠা করতে পারি, তাহলে বুঝবো আমরা শহিদদের প্রতি যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করতে পেরেছি।

তিনি আরও বলেন, আপনারা উপলব্ধি করতে পারছেন, কী পরিমাণ টিয়ারশেল ও গ্যাস পুলিশ নিক্ষেপ করছে। আমার মনে হয় সবার চোখ জ্বালা করছে, আমারও করছে। সেদিনও কিন্তু গ্যাসের প্রতিক্রিয়ায় আমাকে ডাক্তারের কাছে যেতে হয়েছে এবং চোখে ওষুধ নিতে হয়েছে।

১০ ডিসেম্বরের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, সেদিন ছিল ত্রাসের নগরী। সাধারণ মানুষকে রিকশা থেকে নামানো, মোবাইল চেক করাসহ এমন কোনো অপকর্ম নেই, যা তারা (পুলিশ-আওয়ামী লীগ) করেনি।

ঢাকার বিভাগীয় গণসমাবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সব সময় বলেছি যে, সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হবে। আমাদের পার্টি অফিসের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশ করার চেষ্টা করেছি। আতঙ্ক ছড়িয়েছে কারা? সরকার। তারা নানাভাবে চেষ্টা করেছে জনগণের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে। সে কারণেই আজকে বিজয়ের মাসে আমরা আনন্দ করতে পারছি না। আমরা দেখছি সেই ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চ লাইট। তারপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতা। আজকে এই সরকার সেই বর্বরতাকে হার মানিয়ে দিয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ