পদ্মা সেতু জাদুঘর আরো আগে হওয়া উচিত ছিল-সেতু মন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:৪৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

পদ্মা সেতু জাদুঘর আরো আগে হওয়া উচিত ছিল-সেতু মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, মে ১১, ২০২৬ ৪:২০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, মে ১১, ২০২৬ ৪:২০ অপরাহ্ণ

 

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি
সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বলেছেন পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য প্রথম ফিজিবিলিটি স্টাডি করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া সরকার । পরবর্তী সরকার যদিও সেটি বাস্তবায়ন করেছেন। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু জাদুঘর আরো আগে হওয়া উচিত ছিল। কেন তৎকালীন সরকার এটি করেনি তা আমার জানা নেই। দেশের বৃহত্তম স্বার্থে সাধারণ মানুষকে পদ্মা সেতু সম্পর্কে জানতে জাদুঘরটি খুবই প্রয়োাজন ছিল। আজকে এর শুভ উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে জাদুঘর নির্মাণের পরে আগামী প্রজন্ম এ বিষয়ে বিশদভাবে জানতে পারবেন। তিনি বলেন বর্তমান সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রæতি বাস্তবায়ন করছেন। ইতোমধ্যে কৃষিকার্ড, ফ্যামিলি কার্ড বিতরন করেছেন, কৃষিঋন মওকুফ করেছে, খালকাটা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করছে, ক্রীড়াঙ্গণে গতি এনেছে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ করছে। “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় সেতু বিভাগের বৃক্ষরোপণ এর শুভ উদ্বোধন এবং পদ্মা সেতু জাদুঘর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন শেষে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি এ সব কথা বলেছেন। বাংলাদেশ সেতু কতৃপক্ষ কতৃক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আজ সোমবার সকাল ১১ টার পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে টোল প্লাজা সংলগ্ন এলাকায় দেশীয় ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষ রোপন করেন। এরপরে মন্ত্রী জাদুঘরের ভিত্তিপ্রস্থরের ফলক উন্মোচন শেষে পদ্মা সেতু সংলগ্ন জাজিরা প্রান্তে সরকারি বেসরকারি ও জেলা, উপজেলা বিএনপির সহস্রাধিক নেতা কর্মীদের নিয়ে আলোচনা সভা করেন।
মন্ত্রী বলেন, দেশজুড়ে বৃক্ষ রোপণ করতে হবে, বৃক্ষরোপন করে শুধু বসে থাকলেই হবে না, বৃক্ষের পরিচর্যা করতে হবে এবং বাঁচিয়ে তুলতে হবে। প্রতিটি জেলার সরকারি বেসরকারি ও নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে তিনি এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে এ জাদুঘর নির্মাণ করছে। আগামী ২০২৮ সালের মার্চ মাসে এ কাজ শেষ হবে। অত্যাধুনিক এ ভবনটি ৪ তলা বিশিষ্ট হবে। ভবনটিতে ১০০০ কেভি এ সাব-স্টেশন, ৩শ কেভি এ জেনারেটর, ভি আর এফ সিস্টেম, গাড়ী পার্কিং সুবিধা, অডিটোরিয়াম, সাউন্ড সিস্টেম, ক্যামেরা, ইন্টেরিয়র ডেকোরেশন, লিফট, পানির ফোয়ারা ইত্যাদি থাকবে। জাদুঘরটি নির্মাণের জন্য ১ হাজার ৫শ বর্গফুট পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে টোল প্লাজা সংলগ্ন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি ফ্লোর ৮ হাজার ৪ শ বর্গফুটের হবে। গ্রাউন্ড ফ্লোরে, অডিটোরিয়াম, গ্রীন রুম, রিহার্সাল রুম, লাইব্রেরি, স্পেসিমান ল্যাবরেটরী, আর্কাইভ, স্টোর রুম, গেস্ট রুম, টিকেট কাউন্টার থাকবে। এছাড়াও প্রতিটি ফ্লোরে ডিসপ্লে গ্যালারি থাকবে। নির্মাণ কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ