‘পরিবহন ধূমপান মুক্ত করতে আইন প্রয়োগে আন্তরিক হতে হবে - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:০৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

‘পরিবহন ধূমপান মুক্ত করতে আইন প্রয়োগে আন্তরিক হতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০২২ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, আগস্ট ১৪, ২০২২ ৪:৩৩ অপরাহ্ণ

 

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান বলেছেন, সরকার খুব ভালো ভালো আইন করেন। কিন্তু বাস্তবায়নটা যারা করেন তাদের হয় আন্তরিকতার অভাব অথবা অবহেলার কারণে বাস্তবিক আইন প্রণয়ন হয় না। একটা আইন আমি কতটুকু কার্যকর করবো এবং সেটা যদি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হয় তার জন্য কতটুকু পৌঁছে দেবো তার জন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা। আইন প্রণয়নের জন্য জেলা প্রশাসক ও পুলিশ, তাদের আন্তরিক হয়ে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

রবিবার (১৪ আগস্ট) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ডেভেলপমেন্ট এ্যাক্টিভিটিস অফ সোসাইটি (ডাস) আয়োজিত ‘গণপরিবহনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শাজাহান খান বলেন, শুধু গণপরিবহন নয় সারা দেশে তামাকবিরোধী একটা আন্দোলনের কথা মানুষ কিন্তু বলে। এই আন্দোলন সত্যিই হওয়া দরকার। তামাক এমন একটা জিনিস এবং সেটির গায়ে পর্যন্ত লেখা থাকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তারপরেও মানুষ খায়। আগে টেলিভিশনে সিগারেটের বিজ্ঞাপন থাকতো, সেটি এখন বন্ধ করা হয়েছে এটি ভালো উদ্যোগ। সিগারেট স্বাস্থ্যের জন্য সত্যিই ক্ষতিকর এটা যদি আমরা মানুষকে উপলব্ধি করাতে পারি, তাহলে সিগারেটের ব্যবহার অনেকটা কমবে।

সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, সিগারেট থাকলে স্বাস্থ্যের সঙ্গে সঙ্গে সম্মানহানিও হয়। আগে বাসে ব্যবহারে ধূমপান করা হতো। মানুষের সচেতনতার সঙ্গে সঙ্গে সেই ধূমপানের পরিমাণ এখন একেবারেই কমে গেছে। বাসচালক হেলপারদের যাত্রা শুরু করার আগে বলা উচিত যাত্রীদের উদ্দেশ্যে, আপনারা কেউ বাসে ধূমপান করবেন না।

সভায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ওসমান আলী বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন করা জরুরি। শিক্ষক ধূমপান করছে এটা দেখলে ছাত্ররা ধূমপান করতে উৎসাহিত হয়। রাজধানীর আলালের ঘরের দুলালেরা বাড়ির ছাদে তামাক দ্রব্য চাষ করে। তাদের বাবা মা দেখে না? কোম্পানিগুলো লাইসেন্স নিয়ে সারা দেশে সিগারেট বিক্রি করছে। কিন্তু যারা খুচরা বিক্রি করছে তাদের কোন লাইসেন্স নাই। সড়ক পরিবহন আইনে রাস্তাঘাটে ধূমপান করা মানা। যেই গাড়িতে করা হবে সেই গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা করার আইনও আছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ এক জায়গায় করলে হবে না, সর্বোস্তরে আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী হোসেন আলী খোন্দকার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ডাস’র প্রোগ্রাম এডভাইসর আমিনুল ইসলাম।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ