পিআর-শাপলা ছাড়া নির্বাচন হবে না’, বিপজ্জনক বললেন সাকি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০০, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

পিআর-শাপলা ছাড়া নির্বাচন হবে না’, বিপজ্জনক বললেন সাকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫ ৯:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫ ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
‘পিআর পদ্ধতি বা শাপলা প্রতীক ছাড়া নির্বাচন হবে না’, এমন হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, “জামায়াতে ইসলামী নিম্নকক্ষে পিআর দাবি করছে, সেটা তারা করতেই পারে। পিআর ইস্যুটা তারা জোর দিয়ে সামনে এনেছে। তারা জনমত তৈরি করছে। সেই অধিকার তাদের আছে। ‘কিন্তু পিআর না হলে নির্বাচন হবে না’, সেই অবস্থান অত্যন্ত বিপজ্জনক। এই অবস্থান দায়িত্বশীল হবে না। এই অবস্থানে কেউ গেলে বলতে হবে আপনি শক্তি পরীক্ষার মাধ্যমে মীমাংসা চাইছেন এবং আপনি পরিস্থিতি সংঘাতের দিকে ঠেলছেন। কিংবা হঠাৎ সারজিস আলম বলে উঠলো যে, শাপলা না পেলে হবে না। কিন্তু এটা কোনো দায়িত্বশীল বক্তব্য নয়।”

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সম্পাদকীয়তে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, “কোনো কোনো রাজনৈতিক দল যে জায়গায় যাচ্ছে, তাতে তারা বলতে চায় ‘আমি এটা না হলে ওটা করব না, অথবা আমার অমুক জিনিস না পেলে কীভাবে নির্বাচন হয়, তা দেখে নেবো।’ কিন্তু এই ভাষাগুলো ভালো না; এগুলো ইতিবাচক না; গণতান্ত্রিকও না। সবাইকেই একটা যুক্তি সংগত জায়গায় দাঁড়ানো দরকার।”

তিনি বলেন, ‘প্রথম ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে আমাদের মধ্যে একটা পদ্ধতিগত জায়গা তৈরি হয়েছিল। বিষয়টা এমন ছিল যে, যা কিছু ঐকমত্য হবে না, সেটা জনগণ মীমাংসা করবে; নির্বাচন মীমাংসা করবে। এটা পদ্ধতি হিসেবে না নিয়ে শক্তি পরীক্ষার জায়গায় গেলে সংঘাত টেনে আনা হবে। কারণ শক্তি পরীক্ষায় এক দল শক্তি দেখাতে গেলে তো আরেক দল শক্তি দেখাতে যাবে। কাজেই অনিবার্য সংঘাত তৈরি হবে।’

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আর্টিকেল ৭০ ইস্যুতে ৪টি একসেপশনের কথা বলা হয়েছিল। প্রথম ২টি একসেপশনে সবাই রাজি। কিন্তু বিএনপির পক্ষ থেকে আরও ২টি একসেপশনের কথা বলা হয়। তখন মীমাংসাটা হলো যে, এই ২টি এমনভাবে রাখা হোক, যেন দলগুলো তাদের ইশতেহারে নিয়ে যেতে পারে। নির্বাচনী ইশতেহারে নিয়ে গেলে বিএনপি ওই ৪ একসেপশন নিয়ে যাবে। যারা ২ একসেপশনের সমর্থক, তারা ২ একসেপশন নিয়ে যাবে। যে জয় লাভ করবে, সেই অনুযায়ী আর্টিকেল ৭০ সংস্কার করা হবে। সেটা তখন আমরা সেভাবে গ্রহণ করেছিলাম। ধরে নিয়েছিলাম সেভাবেই যাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মধ্যপথে হঠাৎ উচ্চ কক্ষের পিআর নিয়ে বিতর্ক শুরু হলো, তারপর এটার কোনো মীমাংসা হলো না। ওইটা নিয়ে কিছু রাজনৈতিক বাদানুবাদ থেকে তখন দেখা গেল নিম্ন কক্ষে পিআরের দাবিটা বারবার সামনে আসছে। কিন্তু এটাও মনে রাখা দরকার যে, নিম্ন কক্ষের পিআর কিন্তু ঐকমত্যের আলোচনায় আসেনি। অর্থাৎ, অ্যাজেন্ডাই হয়নি। যদিও এখন কোনো একটা দল দাবি উত্থাপন করতেই পারে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ