প্রথমদিনই সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন রেলমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২৪ ২:২৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২৪ ২:২৩ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথের পর রবিবার সকাল থেকেই দেশের প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে নিজনিজ দপ্তরে অফিস করছেন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা। প্রথম দিনে অফিসে এসেই সাংবাদিকদের সঙ্গে কুশল বিনিময়করে পরিচিতি সভার আয়োজন করেন তারা।
কিন্তু রেলমন্ত্রী ক্ষেত্রে দেখা গেলো ভিন্নতা। তিনি প্রথমদিন অফিসে এসেই সাংবাদিকদের এড়িয়ে গেলেন।
রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম অফিসে আসার যে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলেও সাংবাদিকেদের এড়িয়ে নিজের কার্যক্রম শুরু করেন মন্ত্রী।
এদিন দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে রেলভবনে আসেন জিল্লুল হাকিম। এ সময় সাংবাদিকরা তার কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে কোনো কথা বলেননি তিনি।
পরে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা সিরাজ উদ দৌলা খান সাংবাদিকদের সভাকক্ষে বসতে বললে দীর্ঘ সময় পরেও মন্ত্রী সাংবাদিকদের সঙ্গে দেখা করেননি।
প্রায় এক ঘণ্টা রেল ভবনের দ্বিতীয় তলার কনফারেন্স রুমে গণমাধ্যমকর্মীরা বসে থাকলেও রেলমন্ত্রী আর আসেননি। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে সাংবাদিকরা রেল ভবন থেকে চলে যান।
প্রথমদিন অফিসে এসেই রেলমন্ত্রীর এমন আচরণে হতাশ হয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। সবার মধ্যেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রেলমন্ত্রী জিল্লুল হাকিমের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী শাকের জামানের মোবাইলে কল দিয়ে সাংবাদিকরা অপেক্ষা করার কথা জানালে তিনিও উত্তেজিত হন। বলেন, মিটিংয়ে আছেন তারা।
এর আগে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান জিল্লুল হাকিম।
রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জিল্লুল হাকিম মোট ছয় বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে পাঁচবার নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী নাসিরুল হক সাবুর কাছে হেরে যান তিনি। পরে ২০০৮ সালের নির্বাচনে সাবুকে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
এ ছাড়া ২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জিল্লুল হাকিম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ তিনি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে ২ লাখ ৩১ হাজার ৮৮৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
জনতার আওয়াজ/আ আ