প্রশাসনে পরিবর্তন না আনলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৯:২৪, বুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৬শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

প্রশাসনে পরিবর্তন না আনলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৩ ৪:৪১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ৯, ২০২৩ ৪:৪১ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
বর্তমান সরকার গত ১৫ বছরে নানা কৌশলে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে পুলিশ-প্রশাসন-বিচার বিভাগসহ সব জায়গায় দলীয়করণ করেছে। এর মাধ্যমে তারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে। তাই প্রশাসনের বিভিন্ন জায়গায় পরিবর্তন ছাড়া দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।

শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে পলিসি ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ সোসাইটি (পিএমআরএস) আ‌য়োজ‌নে
সর্বব্যাপী দলীয়করণ ও সাজানো প্রশাসন- অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের অন্তরায়’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

পিএমআরএস এর চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহের সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আব্দুল হালিম। এছাড়া আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক ডিআইজি খান সাইদ হাসান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, শিক্ষক, কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান, সাবেক সচিব আব্দুর রশিদ সরকার, অবসরপ্রাপ্ত বিচারক ইফতেখার আহমেদ, সাবেক যুগ্ম সচিব বিজন কান্তি সরকার প্রমুখ।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এ এস এম আব্দুল হালিম বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় গণতন্ত্র ও বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার কর্তৃক জনগণের ভোটাধিকার হরণ৷ আমাদের সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সব ক্ষমতার মালিক জনগণ। কিন্তু রাষ্ট্রের মালিকানা এখন জনগণের হাতে নেই। বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় অসীন হয়েই নানাবিধ চালাকি ও হীন কৌশলের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা কুক্ষিগত করার লক্ষ্যে সর্বব্যাপী দলীয়করণের মাধ্যমে নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে গণতন্ত্রকে নির্বাচনে পাঠিয়েছে। অথচ নির্বাচন হচ্ছে গণতন্ত্রের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ।

সভাপতির বক্তব্যে পিএমআরএস এর চেয়ারম্যান ও সাবেক সচিব মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, প্রশাসনকে এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে করে ২০১৪ ও ২০১৮ এর মতো আরেকটি নির্বাচন তারা (সরকার) করার সুযোগ পায়। এখন সবার দাবি, এমন একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার বসাতে হবে, যাতে দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরো বলেন, দেড় দশক ধরে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারে না গণতন্ত্রহীনতায়। এই সরকার ক্ষমতায় থাকলে এসব সমস্যা আরো বাড়তে পারে। এই সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়, এটা স্পষ্ট। কিন্তু পরিকল্পিত সাজানো-গোছানো প্রশাসন রেখে যাকেই নির্বাচনের দায়িত্ব দেওয়া হোক, দেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। কারণ দলীয়করণ প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। এর বিহীত না করে নির্বাচন সম্ভব নয়। প্রশাসনসহ বিভিন্ন জায়গায় অনেক পরিবর্তন আনতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা একটি সুষ্ঠু, সুন্দর সিস্টেম চাই। আমরা চাই গণতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতার পরিবর্তন।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। সেই দেশের আমলাতন্ত্র পাকিস্তানের মতো হবে কেনো? আফ্রিকার কুৎসিত জঙ্গলের থেকেও বাংলাদেশের অবস্থা খারাপ। এখান থেকে বের হতে হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ