ফ্যামিলি কার্ডে ব্যয় ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ৪:৫০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৮, ২০২৬ ৪:৫০ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি সংগৃহীত
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে নারীপ্রধান পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে চালু হওয়া ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে আগামী পাঁচ বছরে সরকারের ব্যয় হবে প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি টাকা। এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি পরিবারকে মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে।
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য এ উদ্যোগের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সচিবালয়ে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে তিনি বলেন, এটি কেবল সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নয়, বরং একটি মানবিক উদ্যোগ। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বাজেটে বরাদ্দ রাখা হবে বলেও জানান তিনি।
চলতি অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ৮৬ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার জন্য ৮৬ কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। এর মধ্যে ৬৬ শতাংশ অর্থ সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ প্রশাসনিক ব্যয়ে খরচ হবে। ইতোমধ্যে ৩৭ হাজার পরিবার এ কার্ড পেয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৪১ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। পরের বছর ২০২৭-২৮ অর্থবছরে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৮১ লাখে। ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ১ কোটি ২১ লাখ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে পাঁচ বছরে মোট ব্যয় হবে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা।
এ বিষয়ে অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান বলেন, উদ্যোগটি অবশ্যই প্রশংসনীয়। তবে এর অর্থায়নের উৎস নিশ্চিত করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচনেও সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
সরকার জানিয়েছে, সারাদেশে জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। পাশাপাশি কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য কেন্দ্রীয় এবং মাঠপর্যায়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ