বগুড়ায় নাতির লাঠির আঘাতে বৃদ্ধ দাদার মৃত্যু - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:২৮, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বগুড়ায় নাতির লাঠির আঘাতে বৃদ্ধ দাদার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৫ ২:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, অক্টোবর ১৯, ২০২৫ ২:৩৭ অপরাহ্ণ

 

বগুড়া প্রতিনিধি

ছবি সংগৃহীত

বগুড়া শেরপুরে নেশার টাকা না পেয়ে নাতি মো. আশিক হোসেন ওরফে রানার লাঠির আঘাতে বৃদ্ধ দাদা শাবান উদ্দিন ফকির(৬৮) মারা গেছে।

রবিবার ( ১৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামে ঘটেছে। মৃত সাবান উদ্দিন ফকির একই গ্রামের মৃত নবির উদ্দিনের ছেলে।

এদিকে নাতি মোঃ আশিক হোসেন রানা (৩০) দাদাকে হত্যা করে এসে নিজেই শেরপুর থানায় আত্মসমর্পণ করে। রানা একই গ্রামের মোঃ আবু সাঈদ ও সাইফুল ইসলামের ছেলে।

তার মুখ থেকে শুনেই শেরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদকাসক্ত রানা ঘটনার দিন সকাল অনুমান সাড়ে সাতটার দিকে নেশা করার জন্য তার দাদার কাছে টাকা চায়। দাদা সাবান উদ্দিন তাকে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে মারধর করে। এতে বৃদ্ধার শরীরে বেশ কয়েক জায়গায় ফুলা জখম হয়। এরপর দাদা কিছু সময় পরে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ছোনকা বাজারের দিকে রওনা দিলে সকাল সাড়ে আটটার দিকে পথিমধ্য আবারো নাতি রানা ইসলাম গাছের শক্ত ডাল দিয়ে উপর্যুপরি মাথায় আঘাত করতে থাকে। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরনে ঘটনাস্থলেই বৃদ্ধার মৃত্যু হয়।

এ সময় আশেপাশের এগিয়ে আসলে রানা দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে সে শেরপুর থানায় এসে আত্মসমর্পণ করে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম মইনুদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হত্যাকাণ্ডের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন বলে থানা পুলিশ জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে নিহতের ছোট ভাই মো.মোহাম্মদ দুলাল হোসেন বলেন, রানা সকালে আমার বড় ভাই সাবান উদ্দিনের কাছে টাকা চায়। কিন্তু টাকা না দেওয়ায় সকালে প্রথম দফা মারধর করে। এরপর বড় ভাই চিকিৎসার জন্য বাজারের দিকে যাচ্ছিল, এ সময় আবারও রানা শক্ত লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে তাকে হত্যা করে।

তাছাড়াএ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মামলার প্রস্তুতি চলছে তিনি জানান।

এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসএম মইনুদ্দিন জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধারপূর্বক ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে রানা থানায় আত্মসমর্পণ করে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে বলে দায় স্বীকার করেন। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ