বর্তমান জাতীয় সংসদ অবৈধ: রাশেদ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বুধবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ ৩:০৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বুধবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ ৩:০৫ অপরাহ্ণ

নিউজ ডেস্ক
বর্তমান জাতীয় সংসদকে অবৈধ বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান।
তিনি বলেন, সরকার ডামি নির্বাচনের মাধ্যমে ডামি সংসদ গঠন করেছে। এই সংসদ ভুয়া, এই সংসদকে আমরা মানি না। এই সংসদ সম্পূর্ণভাবে অবৈধ। দমন নিপিড়ন করে এ সরকার যদি মনে করে ক্ষমতায় থাকবে, এদেশের মানুষ এ সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দিবে না। এ সরকার মানুষকে হয়রানি করছে, প্রত্যেকটা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে।
বুধবার (২৪ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণঅধিকার পরিষদের ঢাকা মহানগর কর্তৃক আয়োজিত গণঅধিকার পরিষদের গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীসহ সকল রাজবন্দীদের মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে প্রতিবাদী অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভারত এদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে খর্ব করতে চায় মন্তব্য করে রাশেদ খান বলেন, ভারত আমাদেরকে তাদের গোলাম হিসেবে বানিয়ে রাখতে চায়। সাম্প্রদায়িক মদি সরকার বাবরি মসজিদ ভেঙে সেখানে রাম মন্দির স্থাপন করছে। মুসলিম সেন্টিমেন্টকে তারা এভাবে আঘাত করছে।
বাংলাদেশের এ সরকার এবিষয়ে কোনও প্রতিবাদ করে নাই। বাংলাদেশের এ সরকার আজকে হিন্দুত্ববাদের দোসরে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশে আজকে হিন্দু, মুসলমান, খ্রিষ্টান সবাই যখন মিলেমিশে বসবাস করছে তখন বাংলাদেশকেও মদি সরকারের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নানান ধরনের চক্রান্ত চলছে। বাংলাদেশের মানুষ এগুলো মেনে নেয় নি এবং নিবেও না।
যারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে নাই, তারা স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে ওবায়দুল কাদেরের এমন বক্তব্যকে উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, আমরা কি তাহলে রাষ্ট্র বিরোধী হয়ে গেছি? আমরা অপরাধী নয়, ঐ ওবায়দুল কাদেরেরাই অপরাধী।
আজকে তারা জনগণের ভোটাধিকার হরণ করেছে। আজকে তারা মানুষকে গুম করছে, খুন করছে। আন্তর্জাতিকভাবে এ আওয়ামী লীগ আজকে মাফিয়া সরকারে পরিণত হয়েছে। তারা গুম খুনের সরকার হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
জাতিসংঘ সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, তাদেরকে নাকি জাতিসংঘ অভিনন্দন জানিয়েছে, আসলে কি তাই? গতকাল মহাসচিবের মুখপাত্র বলেছেন, রীতি হিসেবে আমরা জাস্ট নতুন সরকার এসেছে তাই অভিনন্দন জানিয়েছি। এটি জাতিসংঘের একটি রীতি। কিন্তু তারা বলেছে, বাংলাদেশে যে নির্বাচন হয়েছে সেটি নিরপেক্ষ হয়নি।
আমেরিকা, ইউরোপ হয়তো তাদের কুটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য অভিনন্দন জানাতে পারে। মার্কিন সরকার বলেছে, তারা বাংলাদেশের জনগণের সাথে সম্পর্ক রাখতে চায়। কিন্তু, একই সাথে তারা বলেছে বাংলাদেশের নির্বাচন অবাধ এবং সুষ্ঠু হয়নি। বাংলাদেশে যে নির্বাচন হয়েছে সে নির্বাচনকে যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্য স্বীকৃতি দেয় নাই। আজকে তারা (সরকার) অভিনন্দন বার্তার নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
এসময় গণঅধিকার পরিষদের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জনতার আওয়াজ/আ আ