বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক অবনতির জন্য দায়ী মোদি সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা : কংগ্রেস - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:৪৯, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক অবনতির জন্য দায়ী মোদি সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা : কংগ্রেস

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ২, ২০২৫ ২:৪৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ২, ২০২৫ ২:৪৫ অপরাহ্ণ

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বাংলাদেশে-ভারত সম্পর্কের অবনতির জন্য মোদি সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতাকে দায়ী করেছে ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস। সম্প্রতি চীন সফরে গিয়ে সেভেন সিস্টার্স নামে পরিচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সাতটি রাজ্যকে ‘ল্যান্ডলকড’ বা ভূ-বেষ্টিত বলে মন্তব্য করেছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস। এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে ভারতের রাজনীতি। আর দেশের রাজনীতিতে কংগ্রেসের তোপের মুখে পড়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস কেন্দ্রীয় সরকারের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করেছে। দলটি মোদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে ‘দৃঢ় সম্পর্কের’ বিষয়ে লেখা তার চিঠির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছে এবং ড. ইউনূসে মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে।

ড. ইউনূসের মন্তব্যে কংগ্রেসের জ্যেষ্ঠ নেতা ও মুখপাত্র পবন খেরা বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকারের এই পদক্ষেপ আমাদের উত্তর-পূর্বের নিরাপত্তার জন্য খুবই বিপজ্জনক। সরকার মণিপুরে নজর দিচ্ছে, চীন অরুণাচলে গ্রাম স্থাপন করেছে। আমাদের পররাষ্ট্রনীতি এমন শোচনীয় অবস্থায় পৌঁছেছে যে, যে দেশ সৃষ্টিতে আমরা প্রধান ভূমিকা পালন করেছি, সেই দেশই এখন আমাদের ঘিরে ফেলার চেষ্টায় ব্যস্ত।’

কংগ্রেস এমপি গৌরব গগৈ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি বাংলাদেশের কাছে একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে দুই দেশের মধ্যে ‘দৃঢ় সম্পর্কের’ কথা তুলে ধরা হয়েছে। এ সময় তিনি মোদি সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘তার পর মুহাম্মদ ইউনূসের উত্তর-পূর্ব ভারত এবং চীন সম্পর্কে সাম্প্রতিক মন্তব্য গভীরভাবে উদ্বেগজনক এবং অগ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে দুর্বল করে।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রিও ড. ইউনূসের এই মন্তব্যের নিন্দা করে বলেন, ‘তার এ ধরনের মন্তব্য করার কোনো অধিকার নেই। তিনি জানেন যে, উত্তর-পূর্ব ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং বঙ্গোপসাগরে উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রবেশাধিকার নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমাদের খুব ঘনিষ্ঠভাবে আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক চুক্তিও রয়েছে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ