বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ১২, ২০২৩ ৪:২৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, এপ্রিল ১২, ২০২৩ ৪:২৯ অপরাহ্ণ

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিবেশীদের সাথে বিশেষকরে শ্রীলঙ্কার সাথে সম্পর্ককে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয় যা ঐতিহাসিক বন্ধন এবং ব্যাপক অভিন্নতার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধন রয়েছে যেখানে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দেয়া হয়েছে।’

ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিদায়ী হাইকমিশনার অধ্যাপক সুদর্শন ডিএস সেনেভিরাইন বুধবার (১২ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে সাক্ষাৎকালে শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিনিয়োগ, কৃষি, মৎস্য, ওষুধ, সামুদ্রিক যোগাযোগ এবং উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বাড়ানোর প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং শ্রীলঙ্কার হাই কমিশনার উভয়েই ‘সুনীল অর্থনীতির’ ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন কর্মসূচির ৯০ শতাংশ এখন দেশীয় সম্পদ থেকে অর্থায়ন করা হয়। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে সারাদেশে উন্নয়ন প্রক্রিয়া থেমে গিয়েছিল। ‘কিন্তু, ‘বাংলাদেশ এই অবস্থা থেকে ফিরে আসার জন্য সংগ্রাম এবং কঠোর পরিশ্রম করছে।’

বাংলাদেশে হাইকমিশনার সফলভাবে দায়িত্ব পালন সম্পন্ন করায় প্রধানমন্ত্রী অধ্যাপক সুদর্শন ডিএস সেনভিরাইনকে অভিনন্দন জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন। হাই কমিশনার পদ্মা সেতুর মতো মাতারবাড়ি ও পায়রার বন্দর প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ কানেক্টিভিটির বড় আঞ্চলিক হাবে পরিণত হবে বলে মন্তব্য করেন।

শ্রীলঙ্কার হাইকমিশনার বলেন, তার দেশ বাণিজ্য, পর্যটন, গভীর সমুদ্রবন্দর এবং ওষুধ খাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী। তিনি পররাষ্ট্রনীতিতে বাংলাদেশের ভারসাম্য রক্ষার ফর্মুলার প্রশংসা করেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে তিনি এদেশের জনগণের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলেন।

এ সময় আ্যাম্বাসেডর-এট-লার্জ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এম তোফাজ্জেল হোসেন মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ