বিএনপিকে মোকাবিলা করতে যুবলীগই যথেষ্ট: তথ্যমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:২২, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিএনপিকে মোকাবিলা করতে যুবলীগই যথেষ্ট: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৮, ২০২২ ৯:৪১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৮, ২০২২ ১০:৪৬ অপরাহ্ণ

 

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, আওয়ামী লীগ লাগবে না, বিএনপিকে মোকাবিলা করতে যুবলীগই যথেষ্ট। আমরা এখনও মোকাবিলার ঘোষণা দেইনি। আমরা মোকাবিলার ঘোষণা দিয়ে নামলে তারা পালানোর পথ পাবে না। 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শহীদ কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন উপলক্ষে মঙ্গলবার যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। 

হাছান মাহমুদ বলেন, যুবলীগ আওয়ামী লীগের ভ্যানগার্ড। তাই যুবলীগের নেতাকর্মীদের বলবো সতর্ক দৃষ্টি রাখেবেন। যখনই নির্দেশ আসবে তখনই জনগণকে নিয়ে এই সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে হবে।

যুবলীগ সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশের সভাপতিত্বে সুবর্ণা মুস্তাফা, শেখ রাসেলের চাচাতো ভাই শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল প্রমুখ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। 

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। ২০১৩-১৪-১৫ সালে এমন বিশৃঙ্খলা করেছিল যে, গাছও তারা উপড়ে ফেলেছিল। মানুষের ওপর তো বটেই, গাড়ি, গবাদিপশু এমন কি মুরগির ওপরও তারা হামলা চালিয়েছিল। তাতে সরকার পতন হয়নি। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার সেই আন্দোলন, নৈরাজ্য মোকাবিলা করেছে। আমরা জানি, কীভাবে সন্ত্রাসীদের মোকাবিলা করতে হবে। যখন মোকাবিলার প্রয়োজন হবে আমরা থাকবো।

হাছান মাহমুদ তার বক্তৃতার শুরুতেই বঙ্গবন্ধু, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, শেখ রাসেলসহ ১৫ আগস্টের সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আজ শেখ রাসেলের ৫৯তম জন্মদিন। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট যখন শেখ রাসেলকে হত্যা করা হয় তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। যখন ৩২ নম্বরে একে একে সবাইকে হত্যা করা হচ্ছিল তখন শেখ রাসেল ৩২ নম্বরের কর্মচারী রমা-যিনি এখনও বেঁচে আছেন, তার হাত ধরে দাঁড়িয়েছিল। শেখ রাসেল যখন বলছে- আমি মায়ের কাছে যাবো, তখন তাকে ছিনিয়ে নিয়ে মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ঘাতকরা হত্যা করেছিল।

মন্ত্রী বলেন, যুবলীগ প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনি ও তার সহধর্মিণী বেগম আরজু মনির লাশ যখন মেঝেতে পড়েছিল, ফজলে শামস পরশের বয়স তখন ৫ বছর এবং তাপসের বয়স সাড়ে তিন বছর। পরশ মা-বাবা হারানোর বিষয়টা কিছুটা বুঝতে পারলেও তাপস, যিনি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র, মায়ের লাশ ধরে ধরে ধাক্কা দিয়ে দিয়ে বলছিল- মা, ওঠো ওঠো। মা-বাবা যে তার চিরদিনের জন্য হারিয়ে গেছে তা সে বুঝতে পারেনি। সেদিন মানবতার বিরুদ্ধে এত নির্মম অপরাধ সংগঠিত হয়েছিল। আর সেই অপরাধের প্রধান কুশীলব ছিল খন্দকার মুশতাক, আর তার প্রধান সহযোগী ছিল খুনি জিয়াউর রহমান।

বিশেষ অতিথি সুবর্ণা মুস্তাফা বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার নেতৃত্বে দেশের যুবসমাজসহ সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশবিরোধী খুনিচক্রকে প্রতিহত করাই আজকের শপথ।

শেখ রাসেলের বাল্যকালের খেলার সাথী শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে শেখ রাসেলের স্মৃতিচারণ করেন। সভায় শেখ রাসেল স্মরণে মঞ্চপর্দায় গান ও আবৃত্তি সম্প্রচার অনুষ্ঠানকে আবেগঘন রূপ দেয়।

সভাপতির বক্তৃতায় পরশ বলেন, বিশ্ববরেণ্য দার্শনিক বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে বঙ্গবন্ধু তার ছোট ছেলের নাম রেখেছিলেন বড় আশা করে। কিন্তু খুনি ঘাতকরা পিতা-মাতার সাথে পুত্রদেরও হত্যা করেছে। এই নির্মম ঘটনার শুধু হত্যাকারী নয়, সকল ষড়যন্ত্রকারীরও বিচার এ জাতির দাবি।

যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নিখিল বলেন, আমরা শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিনে তার হত্যাকারীদের পৃষ্ঠপোষক দল বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি জানাই। কারণ তা না হলে তাদের ষড়যন্ত্র থামবে না, দেশে শান্তি আসবে না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ