বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৩৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩, ২০২৩ ৬:০১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, আগস্ট ৩, ২০২৩ ৬:০১ অপরাহ্ণ

 

জি এম কাদের
‘বর্তমান সরকার শুধু ইয়েস শুনতে চায়’ এমন মন্তব্য করে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, তারা গঠনমূলক সমালোচনাও সহ্য করতে পারে না। এ কারণেই, চিকিৎসক, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ারসহ সকল পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্বে তাদের নিজেদের লোক নিয়োগ করতে চায়। একারণে দেশের প্রকৃত সত্য বা বাস্তবতা বুঝতে পারে না সরকার। এতে দেশ ও মানুষের কল্যাণে নেওয়া উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হয়।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) দলের বনানী কার্যালয়ে জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান সালমা হোসেন এ্যাশ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই পরিচালক নির্বাচিত হওয়ায় জিএম কাদের শুভেচ্ছা জানাতে আসলে তিনি এসব কথা বলেন।

পেশাজীবী সংগঠনগুলো করা হয় একটি উদ্দেশ্য থেকে একথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেমন কখন কোনো পণ্য আমদানি করতে হবে, কোন পণ্যের কত দাম হবে এবং ব্যবসায়ীরা কী পরিমাণ ব্যবসা করবে, তা নির্ধারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে। সেক্ষেত্রে, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠনগুলো হেল্পিংহ্যান্ড হিসেবে সহায়তা করতে পারে। এভাবে প্রতিটি সেক্টরের পেশাজীবী সংগঠনগুলো সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা ও পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতে পারে।

তিনি বলেন, পেশাজীবী সংগঠনগুলোতে কোনো দল বা কোনো মতের লোক নির্বাচিত হবে এটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এখন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্বেও দলীয়করণ করা হচ্ছে। দলের প্রতি আনুগত্য ভুলে পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের আলোচনা করতে হবে সরকারের সাথে। বাস্তবতা হলো পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা নিরপেক্ষ ভাবে ভূমিকা রাখতে পারছে না। কারণ, সরকার সকল পেশাজীবী সংগঠন দলীয়কণের মাধ্যমে নষ্ট করেছে। এখন সরকার যা বলছে, পেশাজীবী সংগঠনগুলো ইয়েস স্যার বলছে। জনগণের কথা চিন্তা না করে সরকারকে সমর্থন দিতেই ব্যস্ত হয়ে থাকে।

বাজার অস্থির, নিত্যপণ্যের অভাব এই সুযোগে ব্যবসায়ীরা বেশি মুনাফা করছে কিন্তু সরকার তা সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না একথা উল্লেখ করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, সবাই সরকারের পক্ষে কথা বলেন, সবাই ইয়েস স্যার বলতেই ব্যস্ত। এবার, এফবিসিসিআই নির্বাচনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে, এটাকে সরকারের স্বার্থেই সম্পূর্ণ স্বাধীন করে দেওয়া উচিত।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র কো-চেয়ারম্যান আবু হোসেন বাবলা, প্রেসিডিয়াম সদস্য শফিকুল ইসলাম সেন্টু, রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, চেয়ারম্যান এর উপদেষ্টা মো. সেলিম উদ্দিন, মো. খলিলুর রহমান খলিল, ভাইস-চেয়ারম্যান আমির উদ্দিন আহমেদ ডালু, মো. জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, যুগ্ম মহাসচিব বেলাল হোসেন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন দে প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ